Fri. Feb 26th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অপরাধ এবং শাস্তি দুটোই মেনে নেওয়ায় শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাচ্ছেন না সাকিব আল হাসান। তবে নিষেধাজ্ঞা চলার সময় তিনি যদি শাস্তির বিধিবিধান সঠিকভাবে মেনে চলেন, তাহলে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা-আইসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইসিসির দুর্নীতি দমন ট্রাইব্যুনালের শুনানিতে সাকিব সবগুলো অভিযোগের দায় স্বীকার করে নিয়েছেন। শুনানিতে সাকিব বলেন, ‘যে খেলাটি আমি ভালোবাসি, সেটা থেকে নিষিদ্ধ হওয়ায় আমি ভীষণভাবে দুঃখিত। কিন্তু আমাকে যে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তা পুরোপুরি মেনে নিচ্ছি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট খেলোয়াড়দের ভূমিকার ওপর নির্ভর করে থাকে, এক্ষেত্রে আমি আমার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করিনি। আমি নিশ্চিত করতে চাই যেন তরুণ খেলোয়াড়রা আমার মতো ভুল না করে।’

ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পাওয়ার পর তা গোপন করায় বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি, যার মধ্যে দোষ স্বীকার করায় এক বছরের শাস্তি স্থগিত থাকবে। তবে এসময় তিনি পর্যবেক্ষণে থাকবেন।

আইসিসি জানিয়েছে, ২০১৮ এর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসের মধ্যে তিনবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান সাকিব। তবে এ বিষয়ে আইসিসিকে কিছু জানাননি তিনি। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ চলাকালে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান। আর একবার তার কাছে প্রস্তাব আসে এই ত্রিদেশীয় সিরিজ অথবা আইপিএলে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ-কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ম্যাচের আগেও তাকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেন জুয়াড়িরা।

Leave a Reply