Mon. Mar 1st, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পদ্মা সেতুতে বসছে চলতি বছরের শেষ স্প্যান। সেতুর মাওয়া প্রান্তের ১৮ ও ১৯ নম্বর খুঁটিতে ‘৩এফ’ নম্বরের ২০তম স্প্যানটি মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ার কাছে কুমারভোগের বিশেষায়িত কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে সকালে এটি নিয়ে রওনা দিয়েছে ভাসমান ক্রেন।

আবহাওয়াসহ সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ এটি বসানোর মধ্য দিয়ে ২০১৯ সালে বসতে যাচ্ছে সর্বোচ্চ স্প্যান। এর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হবে তিন কিলোমিটার বা সেতুর অর্ধেক অবকাঠামো।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের সর্বমোট বাজেট ৩০১৯৩.৩৯ কোটি টাকা। গত ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ব্যয় হয়েছে ২১৩১৭.১১ কোটি টাকা বা ৭০.৬০ ভাগ। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৭৫.৫০ ভাগ। মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৫.৫০ ভাগ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৮১.৬০ভাগ।

এ পর্যন্ত ৪১টি স্প্যানের মধ্যে ৩৩টি স্প্যান চীন থেকে মাওয়ায় পৌঁছেছে। এরই মধ্যে ১৯টি স্প্যান খুঁটির ওপর স্থাপন করা হয়ে গেছে। এছাড়া পাঁচটি স্প্যান মাওয়ার কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ও ৯টি স্প্যান পদ্মার চর এলাকায় অস্থায়ী স্টক ইয়ার্ডে রাখা আছে। যা খুঁটির ওপর স্থাপনের অপেক্ষায়। আরও দুটি স্প্যান চীন থেকে মাদার ভ্যাসেলে করে সমুদ্র পথে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আরও ছয়টি স্প্যান চীনে তৈরি হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মতে ২০২১ সালের জুন মাসেই সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারবে। সেভাবেই শিডিউল নিয়ে সেতুর কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। এ বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক স্প্যান পিলারের ওপর সফলভাবে বসানো হয়েছে।

শিডিউল মতো স্প্যান বসাতে পারলে আগামী বছর জুলাইয়ের মধ্যে সেতুর ৪১টি স্প্যান বসানো সম্ভব হবে। আর ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে আনুষাঙ্গিক কাজ শেষ করে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন ও রেল চলাচলের পরিকল্পনা রয়েছে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।

Leave a Reply