Tue. Mar 2nd, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

গাইবান্ধা ডিস্ট্রিকের ডিবি (পুলিশ) কন, ওসি কন, এসপি কন, ডিসিসহ যতো কিছুই কন সব আমাদের নিয়ন্ত্রণে চলে। ৭ উপজেলায় এমপি, মন্ত্রী, চেয়ারম্যান যতো কিছুই থাক না কেন, আমার চেয়ে বড় মাইকেল কেউ নেই। আমি চ্যালেঞ্জ দিলাম কোনো এমপি, মন্ত্রী যদি আমার সঙ্গে টিকে থাকতে পারে তাহলে সংস্থা থেকে বহিষ্কার হয়ে যাব।’

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে এক কর্মী সমাবেশে এভাবেই বক্তব্য রাখছিলেন স্থানীয় আশার আলো প্রভাতি সংস্থার চেয়ারম্যান ডা. মো. শফিকুল ইসলাম সাজু।

কর্মী সমাবেশে তিনি আরও বলেন, আমার এক লাখ সদস্য। আমি তাদের একবার করে চাল দিতে গেলে দেড় কোটি টাকা লাগে। আমার মতো ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ছেলে জন্ম নিলে দেশে এমপি মন্ত্রী বা সরকার লাগতো না। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার সাঘাটা-ফুলছড়ির এমপি আর আমি গোটা জেলার দায়িত্বে কাজ করতে সরকার আমাকে অনুমতি দিয়েছে। সরকার শিক্ষা ভাতা ৬ মাসে দেয় ৩০০ টাকা, আমি দেই ৯০০ টাকা। কম দিচ্ছি নাকি? সরকারের সঙ্গে যুদ্ধ করা লাগলেও আমি করব, তবুও জনসেবা করবো। কোথাও কেউ আমার কোনো কর্মীর কাজের প্রতিবাদ করলে তোমরা আমাকে অবগত করবা, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের তুলে আনবো। অন্যথায় ক্ষমতা ছাড়ব।

এ অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, গাইবান্ধা ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন ও আশার আলো প্রভাতি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের আসলাম প্রধান, আব্দুল মতিন, সংস্থার বাদিয়াখালি শাখা ব্যবস্থাপক সিদ্দিুর রহমান, সুন্দরগঞ্জ শাখার ম্যানেজার আব্দুর রাজ্জাক, সংস্থার এরিয়া ম্যানেজার মাহতাব, জুমারবাড়ী শাখার ম্যানেজার ও রফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানের ব্যানারে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার নাম উল্লেখ থাকলেও তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়,উপজেলার ডাকবাংলা বাজারে অবস্থিত আশার আলো প্রভাতি সংস্থাটির সাঘাটা উপজেলা সমাজ সেবা অফিস থেকে কোনো লাইসেন্স না থাকায় গাইবান্ধা শহরের খানকা শরীফ এলাকার সেচ্ছাসেবী সংগঠন গাইবান্ধা ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (রেজিস্ট্রেশন নং গাই/শহর/১৪৪৩/২০১৭ ইং) লাইসেন্স ব্যবহার করে জেলার ৭ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের এক লাখ অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ, চাল, ঢেউটিনসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণের নামে ভর্তি ফি বাবদ ৫২০ টাকা এবং মাসিক সঞ্চয় হিসেবে ৫০ টাকা নিয়ে আসছে। সমিতির ভর্তি ও সঞ্চয়ের টাকা সংগ্রহে কয়েক’শ কর্মী জেলার বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করছে। প্রতি কর্মীকে মাসে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা বেতনে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে প্রতিদিন ৫ হাজার টাকা উত্তোলনের টার্গেট দিয়েছেন সংস্থার চেয়ারম্যান ।

এ বিষয়ে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক আব্দুল মতিন বলেন, এ এনজিওকে আমরা চিনি না। আমি সাঘাটার ইউএনওকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলব।

Leave a Reply