Wed. Mar 3rd, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চাপাইনবাবগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ লিয়াকত আলী মোল্লার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ দৈনিক নওরোজে ‘চাঞ্চল্যকর ১০ কেজি হেরোইন মামলার আসামী ৪২ দিনেই জামিন’-শীর্ষক সংবাদ প্রকাশের পর কর্তৃপক্ষের টনক নড়েছে। নড়েচরে বসেছে আইন মন্ত্রণালয়ও। বিচারকের মতো এক মহান পেশায় নিয়োজিত থেকে একজন জেলা ও দায়রা জজ-এর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে তা সমাজজীবনে কাম্য নয় বলে জানালেন আদালতপাড়ায় কর্মরত বিজ্ঞ আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সকল মহল। 

জেলা ও দায়রা জজ লিয়াকত আলী মোল্লার বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তা হচ্ছে, কোনো রকম সার্কুলার ছাড়াই নিজ জেলার ৬ জনকে নিয়োগ দেন। এই ৬ জন হচ্ছে : আনিকা তাবাসসুম-স্টেনোগ্রাফার, মাহমুদ-জারীকারক, মাসুদ রানা-জারীকারক, মোঃ আরিফুল-জারীকারক, মোসাম্মত মরিয়ম-কেরানী ও তানিয়া বেগম-অফিস সহকারী।

জানা গেছে, এরা সবাই জেলা ও দায়রা জজ লিয়াকত আলী মোল্লার নিজ এলাকা মাগুড়ার বাসিন্দা। তবে নিজ জেলার লোক বা আত্মীয় হলেও চাকুরী পেতে তাদেরকে গুণতে হয়েছে মোটা অংকের অর্থ।

অভিযোগ উঠেছে, এদের নিয়োগ দিতে তিনি বিমলা খাতুন ও মোঃ আবজাল হোসেনকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বাধ্যতামূলকভাবে অবসর যেতে বাধ্য করেন। হতভাগা বিমলা খাতুন ও আবজাল হোসেনের সরকারি ছুটিও পাওনা ছিল। সেই সাথে চাকুরীর বয়সও ছিল আরো বেশ কয়েক বছর। এই দু’জনকে অবসরে পাঠিয়ে তাদের জায়গায় পদায়ন করতে যে শুভংকরের ফাঁকি রয়েছে তা নিরপেক্ষ তদন্ত হলেই বেড়িয়ে পড়বে থলের বিড়াল এমনটাই আশা করছেন ভুক্তভোগী মহল।

Leave a Reply