Tue. Mar 2nd, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় কেউ খাবে কেউ খাবে না, তা হবে না, তা হবে না। চাকরিজীবী- অসহায়,দিনমজুর, নিম্নবিত্তদের সমাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি মানবতার মা। দেশের স্বার্থে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য আপনি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিমিত্তে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ছুটি দিয়েছেন। আমরা আপামর জনতা এজন্য আপনাকে স্বাদু বাদ জানাই। আমরা বিশ্বাস করি আপনার সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা আমাদের মঙ্গলের জন্য।
মাগো, আপনি জানেন বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগোষ্ঠীই নিম্নবিত্ত, প্রতিদিন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে অর্থাৎ দিনে আনে দিনে খায়। একদিন কাজ না করলে তাদের না খেয়ে থাকতে হবে।
সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের ১০ দিন কেন ১০০০০ দিন ঘরে থাকতে হলেও তাদের কোনো সমস্যা নেই। তারা তো ঘরে বসে থেকেই বেতনের টাকা পাবেন। ঠিক আছে এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু শুধু মোট জনসংখ্যার ১০-১৫% চাকরিজীবীরাই ঘরে থাকলে তো দেশ করোনা ভাইরাস মুক্ত হবে না। ঘরে ফেরাতে হবে মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংস অসহায় দিনমজুর নিম্নবিত্ত মানুষগুলো কে। তাদের ঘরে ফেরানোর একটাই উপায় অন্ততঃ দুই বেলার খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করা।
এমতাবস্থায় দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সমাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
যেহেতু জনগণের টাকায় চাকরিজীবীদের বেতন ভাতা দেওয়া হয় সেহেতু বর্তমান অবস্থায় তাদেরকে মোট বেতনের অর্ধেক দেওয়া হউক( স্বাস্থ্যখাত, প্রশাসন বাদে)।
কারন দেশের এই সংকটময় মূহুর্তে কেউ ঘরে বসে বেতন নিয়ে নিশ্চিন্তে পোলাও, মুরগি খাবে আর কেউ করোনা আতংকে না খেয়ে মরবে, অথবা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঘরের বাইরে কাজ করবে এটা মেনে নিলে ৩০ লক্ষ শহীদদের আত্মদান বৃথা যাবে।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন অধোরাই থেকে যাবে।
মানবতার মা, জনগণের টাকায় দেশ চলে, সেই দেশে কেউ জমিদার কেউ চাকরের জীবনযাপন করবে তা হবে না, হতে পারে না।
– Rubel Parvez, dimla, nilphamari

Leave a Reply