Fri. Feb 26th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোঃ সরোয়ার জাহান সোহাগ, চীফ রিপোর্টার:

প্রতি বছর বাংলা নববর্ষ ও ঈদকে কেন্দ্র করে বড় প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের থাবায় এবার চৈত্রে থমকে গেছে সব আয়োজন।

অপরদিকে সামনে ঈদ, ঈদ মানেই নতুন পোশাক, লক্ষ লক্ষ টাকা পুঁজি খাটিয়ে দোকানপাট বন্ধ রেখে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ডিমলার কাপড় ব্যবসায়ীরা। ঈদের মাসেই বছরের বাকি ১১ মাসের সমান বেচাকেনা হয়। ডিমলা উপজেলায় ১০ টি ইউনিয়নে প্রায় চার লক্ষ মানুষের বসবাস।

ডিমলা বাবুরহাট বাজারের সিনিয়র কাপড় ব্যবসায়ী, নুরু হোসেন ও আবুজার রহমান আলাল বলেন, বৈশাখ ও ঈদ উপলক্ষে ডিমলা উপজেলায় খুচরা ও পাইকারী মিলে প্রায় ১৩০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার পোশাক বিক্রয় হয়। শবেবরাত থেকে শুরু হয়ে এই বেচাকেনা চলে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত। এ জন্য ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি জমতে থাকে। তবে এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে ঈদবাজারের পরিবেশ ঠিক উল্টো। লকডাউন ও সরকারী নির্দেশে দোকান বন্ধ থাকায় আটকা পড়েছে ঈদের ক্রয় ও বিক্রয়। ঈদ যতই কাছে আসছে, ব্যবসায়ীদের কপালে ততই ভাঁজ পড়ছে।

কাপড় ব্যবসায়ী আবু রায়হান বলেন, ঈদের আগ পর্যন্ত নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে দুপুর ১ টা পর্যন্ত প্রশাসন যদি পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের অনুমতি দেয় তবে ব্যবসায়ীরা একটু হলেও তাদের দিনানিপাত করতে পারবে। অন্যথায় পথে বসতে হবে অনেক ব্যবসায়ীদের। বেশীর ভাগ ব্যবসায়ী ব্যাংক ঋন নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন, এবার বড় ধরনের অর্থনৈতিক চাপে পড়বে ব্যবসায়ীরা, ঋনের কিস্তি দেওয়া তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়বে । করোনা পরবর্তী সময়ে স্বল্প সুদে ঋন সুবিধা পাওয়ার ব্যাপারে তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ব্যবসায়ী পারভেজ রুবেল বলেন, বেতন-ভাতার চেয়ে এই মুহূর্তে কর্মচারীদের বাঁচিয়ে রাখাটাই কঠিন হয়ে উঠেছে। পহেলা বৈশাখ, রমজান এবং ঈদের ব্যবসা করতে পুঁজির পুরোটা বিনিয়োগ করা ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুবই নাজুক। সরকারের বিশেষ প্রণোদনায় আনা না হলে এসব ব্যবসায়ীর অনেকেই দেউলিয়া হয়ে যাবেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

Leave a Reply