Sun. Mar 7th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিশ্বজুড়ে প্রলয় সৃষ্টি করেছে আণুবীক্ষণিক জীব নভেল করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে এরই মধ্যে ভয়াবহ বিপর্যয়ে পড়েছে আমেরিকা ও ইউরোপের দেশ ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্স। করোনার থাবায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে এসব দেশ। অথচ এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসজনিত রোগ কভিড-১৯ এর কোনো ওষুধ বা প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। বিজ্ঞানীরা উঠেপড়ে লেগেছেন একটা ওষুধ বা ভ্যাকসিন তৈরিতে। এখনও সফলার মুখ দেখেননি।

নির্দিষ্ট কোন ওষুধ আবিষ্কার না হওয়ায় নানা রকমের ওষুধ দিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। হাইড্রোক্লোরোকুইন, রেমডেসিভির, এইডসের ওষুধ, ফ্লু -এর ওষুধে কাজ করছে এমন নানা সম্ভাবনার কথা বিভিন্ন সময়ে ছড়িয়েছে। এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন সহজলভ্য গ্যাস্টিকের ওষুধ এন্টাসিড। মাত্র ৪০ পয়সা মূল্যের এই ওষুধেই নাকি আশার আলো দেখাচ্ছে।

মহামারির এই ঘোর অন্ধকারে এই আশার আলো দেখল ভারত৷ এবার জল্পনা তুঙ্গে একটি অতি স্বস্তার এন্টাসিড নিয়ে৷ এন্টাসিডটি হল করোনার কার্যকরি ওষুধ, গবেষণায় নাকি এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে৷

মোদি সরকারও ভারতীয় জনৌষধী পরিযোজনাসহ বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাকে এন্টাসিড (ফ্যামোটিডিন) পর্যাপ্ত পরিমাণে তৈরি রাখারও নির্দেশ দিয়েছে৷ নির্দেশ দিয়েছে, এই এন্টাসিডের পর্যাপ্ত জোগানের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে৷ করোনা চিকিৎসায় আশা জাগাতে পারে এন্টাসিড নতুন গবেষণায় এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

নিউইয়র্কে করোনা রোগীদের উপরে এই ওষুধের ক্লিনিকাল ট্রায়ালে ভাল ফলাফল পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। চীনেও এই ওষুধের ট্রায়াল চলছে। ভারতে এন্টাসিড পর্যাপ্ত পরিমাণেই পাওয়া যায়। দাম মাত্র ৪০ পয়সা!

সূত্রের খবর, এই ওষুধের উৎপাদন আরও বাড়ানোর জন্য দেশের সরকারি ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে মোদী সরকার।

ফ্যামোটিডিন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে বিক্রি হয়- ভারতে ফ্যামোসিড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পেপসিড, বাংলাদেশে এন্টাসিড ইত্যাদি৷ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, অন্যান্য দেশের গবেষণার ফলে যা বোঝা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই ফ্যামোটিডিনের চাহিদা বাড়তে চলেছে, যেমনটা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনের ক্ষেত্রে হয়েছে৷ তাই তৈরি থাকার মধ্যে তো কোনও দোষ নেই৷

সার ও রাসায়নিক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মনসুখ মন্দভ্যের নেতৃত্বে একটি বৈঠকে ফ্যামেটিডিনের পর্যাপ্ত জোগান নিয়ে আলোচনা হয়৷এই ওষুধটি সরকারের জনৌষধী প্রকল্পের আওতায় দেশের বিভিন্ন জনৌষধী আউটলেটে দেওয়া হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Leave a Reply