Thu. Mar 4th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নুর আলম, জলঢাকা প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রামে ঈদ করতে আসা মানুষজন মানছে না নিয়ম কানুন। এতে উপজেলার প্রতিটি গ্রামে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে সচেতনমহল। বেশ সফলতার সঙ্গে বিগত মাসগুলোতে করোনা ভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশনের গতিতে লাগাম টেনে রাখতে সক্ষম হলেও কিন্তু ঈদের ছুটিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন এক শঙ্কা জানালেন উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক সহীদ হোসেন রুবেল। তিনি আরো বলেন
ঈদের দিন তিস্তা ক্যানেলে যেভাবে সব শ্রেনীর মানুষের ভীড় দেখলাম তাতে সহজেই কমিউনিটি সংক্রমণ ঘটবে গোটা উপজেলা জুড়ে। স্থানীয়ভাবে এসব মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে পারলেই এর সংক্রমণ কম হবে বলে জানান তিনি। শিক্ষক ফিরোজ হোসেন বলেন, শহর থেকে আসা মানুষগুলোর জন্য গ্রামগুলো এখন সবচাইতে ঝুঁকিপূর্ণ। গ্রামে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে তার পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এখনো করোনা থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য মানছে না সামাজিক দুরত্ব, করছেনা ব্যবহার গ্লোভস বা মাস্ক। নিয়মিত পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা না থাকায় গ্রামের মানুষজন এখনো হাট-বাজার ও দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছে। এ কারনেই শহর থেকে আসা মানুষগুলো গ্রামে গিয়ে তার নিজ পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের পাশাপাশি পুরো গ্রামকে ফেলেছেন হুমকির মুখে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসান মোঃ রেজওয়ানুল কবীর জানান, জনগন নিজেই সচেতন না হলে প্রশাসন, থানা পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শত চেষ্টা করলেও কাজ হবে না। তাই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে এলাকা ভিত্তিক হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া সম্ভব নয়। 
মানুষ যতক্ষণ নিজে সচেতন হবে না ততক্ষণ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ হবেনা বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান। যারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গ্রামে ঈদ করতে এসেছে তাদের তিনি ঘরে থাকার আহবান জানান। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসন কঠোর ভাবে পরিস্থিতি মনিটরিং করছে। যখনই সংবাদ পাচ্ছি আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। তিনি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যাক্তিগত সচেতনতার উপর জোড় দেওয়ার আহবান জানান। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা ঈদে বাড়ীতে আসা মানুষগুলোর ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply