Sun. Mar 7th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কুড়িগ্রামে ত্রাণ নিয়ে সমন্বয়হীনতা লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও অপ্রতুল ত্রাণের কারণে প্রত্যন্ত এলাকায় হাহাকার অবস্থা বিরাজ করছে। এ নিয়ে ভীষন চাপে রয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।

উপজেলাগুলো থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে বরাদ্দ প্রদানের কথা বলা হলেও অনেক জনপ্রতিনিধি বরাদ্দ পাননি বলে জানিয়েছেন। বন্যার ৮ম দিন পেরিয়ে গেলেও অনেক জায়গায় পৌঁছেনি বানভাসীদের জন্য পাঠানো কাঙ্ক্ষিত ত্রাণ সামগ্রী।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, বন্যার শুরুতেই ২০৩ মেট্রিক টন চাল ও ৩৬ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা উপজেলাগুলোতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ২ কোটি টাকা ও ২ হাজার টন চালের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

ইতোধ্যে আবারও ২ লক্ষ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার পেয়েছি। আমরা সবার সাথে সমন্বয় করেই ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়নগুলোতে বরাদ্দ পাঠাচ্ছি। যদি ব্যত্যয় ঘটে তাহলে সেটিও আমরা সমন্বয় করে ঠিক করবো।

এদিকে কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দুর্ভোগ কমেনি। ব্রহ্মপূত্র নদের পানি কিছুটা কমলেও ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এখনও বিপদসীমার উপরে পানি অবস্থান করায় নিম্নাঞ্চল তলিয়ে আছে। শনিবার বিকেলে ব্রহ্মপূত্র নদের পানি কমে গিয়ে চিলমারী পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার ও নুনখাওয়ায় ১৯ সেন্টিমিটার এবং ধরলা নদীর পানি ব্রীজ পয়েন্টে বৃদ্ধি পেয়ে ৫৮ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টানা ৮দিন ধরে বন্যার পানি অবস্থান করায় সংকটে রয়েছে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। শনিবার জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে দেখা যায় নানা অসঙ্গতি। বন্যায় আক্রান্তের তুলনায় অনেক ইউনিয়নে দেয়া হয়েছে কম বরাদ্দ। ভীষণ চাপে রয়েছেন সেই ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা।

নাগেশ্বরীর নদীবেষ্টিত দ্বীপ ইউনিয়ন বল্লভের খাসের চেয়ারম্যান আকমল হোসেন জানান, আমরা এখনও বন্যার্তদের তালিকা চুড়ান্ত করিনি। উপজেলা থেকে তার ইউনিয়নে ত্রাণের কোনো বরাদ্দ আসেনি বলে তিনি দাবি করেন।

নাগেশ্বরীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর আহমেদ মাছুম জানান, বল্লভের খাসসহ আমরা বন্যায় আক্রান্ত প্রতিটি ইউনিয়নে ৬০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দিয়েছি। আমি নিজেই ওই ইউনিয়নে দুদিন আগেই ৫০টি পরিবারে ত্রাণ দিয়েছি।

– jamuna tv

Leave a Reply