Thu. Mar 4th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অধিদফতরের ‌পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের ‌‌’ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’ বলতে সাবেক স্বাস্থ্য সচিবকে বোঝানো হয়েছে। অধিদফতরের পরিচালকের (হাসপাতাল) লেখা ও স্বাক্ষর করা প্রতিবেদন এবং নথিতে সাবেক স্বাস্থ্যসচিবের নির্দেশের কথা উল্লেখ রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের পর স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের (ডিজি) ব্যাখ্যায় এসব দাবি করা হয়। সেখানে আরও বলা হয়, তারা রিজেন্ট হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং হাসপাতালটিকে উপযোগী পেয়েছেন।

এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের ব্যাখ্যায় অনেক কিছু স্পষ্ট হয়নি, সেসব বিষয়ে পুনরায় ব্যাখ্যা চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নান। বুধবার স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নানের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। এতে কীভাবে বা কোন প্রক্রিয়ায় বিতর্কিত রিজেন্ট হাসাপাতালের সাথে চুক্তি করেছিলেন তা তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সাবেক সচিব আসাদুল ইসলাম মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে তার বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। গত ৪ জুন তাকে পরিকল্পনা বিভাগে বদলি করা হয়। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল) আমিনুল হাসানও কোনো মন্তব্য করেননি।

উল্লেখ্য, ভুয়া করোনা পরীক্ষা নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের অপকর্ম প্রকাশ হওয়ার পর হাসপাতালটির সাথে চুক্তির বিষয়ে গত শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতর একটি ব্যাখ্যা দেয়। এতে বলা হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের’ নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই ব্যাখ্যায় ক্ষুব্ধ হয় মন্ত্রণালয়। এরপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে চিঠি দিয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। সেই ব্যাখ্যায় সাবেক স্বাস্থ্য সচিবের দিকে নির্দেশ করা হয়েছে।

গত ৬ জুলাই অভিযান চালিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা শাখা সিলগালা করে দেয় র‍্যাব। হাসপাতালের চেয়ারম্যানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। বুধবার সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে গ্রেফতার হন হাসপাতালটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ।

Leave a Reply