Mon. Apr 19th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক নারীকে নিয়ে দুই স্বামীর সং’ঘর্ষে প্রা’ণ গেল প্রথম স্বামী মো. শাহ আলম বিশ্বা’সের (৫০)। ঘটনার ১০ দিনের মা’থায় গত শনিবার রাতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’রা যান শাহ আলম।

দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমান হাওলাদারের (৪৮) অবস্থাও আশ’ঙ্কাজনক। তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতা’লে। সোমবার সকালে শাহ আলমের লা’শ তাঁর নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। এ ঘটনায় হ’ত্যা মা’মলার প্রস্তুতি চলছে বলে শরণখোলা থা’না সূত্রে জানা গেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রায় দুই যুগ আগে উপজে’লার রায়েন্দা ইউনিয়নের পশ্চিম কদমতলা গ্রামের আব্দুর রহমান বিশ্বা’সের ছে’লে শাহ আলমের সঙ্গে বিয়ে হয় পশ্চিম খাদা গ্রামের মানিক হাওলাদারের মে’য়ে নূপুর বেগমের (৩৫)।

তাঁদের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল দাম্পত্য কলহ। এ কারণে শাহ আলমের সঙ্গে স’ম্পর্ক ছিন্ন করে দ্বিতীয় বিয়ে করেন নূপুর বেগম। এ নিয়ে দুই স্বামীর মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত ২২ জুলাই রাত ১২টার দিকে প্রথম স্বামী শাহ আলম বিশ্বা’স চাপাতি দিয়ে কু‌‌’পিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানকে। এ সময় রহমানের আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে এসে শাহ আলমকেও আ’ট’কে বেদম মা’রধর করে।

প্রথম পর্যায়ে গুরুতর জ’খম দ্বিতীয় স্বামী আ. রহমানের মৃ’ত্যুর আশ’ঙ্কা ছিল। যার ফলে প্রথম স্বামী শাহ আলমকে মা’রধরের বিষয়টি চাপা পড়ে যায়। যার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত স্বজনরা শাহ আলমকে ওই রাতে গো’পনে শরণখোলা হাসপাতা’লে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত খুলনা মেডিক্যালে (খুমেক) রেফার্ড করান। পরবর্তী সময়ে খুমেকে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থা’নান্তর করা হয় শাহ আলমকে। ঘটনার ১০ দিনের মা’থায় গত শনিবার (১ আগস্ট) রাত পৌনে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃ’ত্যু হয়।

শরণখোলা থা’নার ভা’রপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) এস কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, শাহ আলমের মৃ’ত্যুর ঘটনায় হ’ত্যা মা’মলার প্রস্তুতি চলছে। এর আগে মা’রামা’রির ঘটনায় আ. রহমানের পক্ষে একটি মা’মলা দায়ের করা হয়।

Leave a Reply