Tue. Apr 13th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সে’নাবাহিনীর অবসারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা মেজর সিনহা মোহাম্ম’দ রাশেদ খান হ’ত্যাকা’ণ্ডের অন্যতম আ’সামি ওসি প্রদীপ কুমা’রকে যখন জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, তখন অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আরও একটি চাঞ্চল্যকার তথ্য।

এই ম’র্মা’ন্তিক ঘটনার সঙ্গে নাকি বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল অ’ভিনেতা ইলিয়াস কোবরার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, সিনহাকে যেখানে হ’ত্যা করা হয় সেই বাহারছড়া সংলগ্ন মা’রিসঘোণা এলাকাতেই বসবাস করেন চলচ্চিত্রের ফাইটিং গ্রুপ পরিচালনাকারী ইলিয়াস কোবরা। তাই হঠাৎ তার টেলিফোনে করা আমন্ত্রণ পুরোপুরি এড়িয়ে যেতে পারেননি মেজর সিনহা।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইলিয়াস কোবরাকে দায়িত্ব দেয়া হয়, আতিথেয়তার নামে নানা কৌশলে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেজর সিনহাকে তার নিভৃত পাহাড়ি গ্রামে আ’ট’কে রাখার। ক্রসফায়ারের তালিকায় নাম থাকার গুজব ছড়িয়ে অসংখ্য মানুষকে গো’পনে ওসি প্রদীপের সঙ্গে সমঝোতা করিয়ে দেয়ার বেশ নামডাক রয়েছে বলে অ’ভিযোগ কোবরার বি’রুদ্ধে।

সেদিন মা’রিসঘোণায় নিজের বাগানবাড়ি ঘুরিয়ে দেখার নামে ইলিয়াস কোবরা বিকাল সাড়ে চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত নির্জন পাহাড়েই নিজ হেফাজতে রেখেছিলেন মেজর সিনহাকে। এ সময়ের মধ্যে সিনহার অবস্থান, কতক্ষণ পর কোন রাস্তায় তিনি কোথায় যাবেন সেসব তথ্য জানিয়ে কোবরা নয়টি এসএমএস পাঠান ওসি প্রদীপকে।

এমনই খবর ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে। পরে বিষয়টি জানতে ইলিয়াস কোবরার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন, ‘এসএমএস পাঠানো তো দূরের কথা, আমি লেখাপড়াই জানি না। এসব খবর ভিত্তিহীন। সিনহা হ’ত্যার সঙ্গে আমা’র কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমা’র সম্মানহানি করার জন্য এমন খবর রটানো হচ্ছে।’

১৯৮৭ সালে সোহেল রানা পরিচালিত ‘মা’রুক শাহ’ ছবিতে অ’ভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অ’ভিষেক ঘটে ইলিয়াস কোবরার। এর আগে তিনি মা’র্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালাতেন। তিনি প্রায় পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অ’ভিনয় করেছেন। ২০০০ সালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন।

Leave a Reply