Sat. Apr 17th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


রউফুল আলম, স্টাফ রিপোর্টার ঃ
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মহল্লার বেকারী গুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারী পন্য। এসব পন্য গ্রামের কোমল শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ লোক পর্যন্ত সবাই খাচ্ছেন। খাওয়ার কারণে বেশি ঝুঁকিতে আছেন কোমল শিশু ও বৃদ্ধ লোকেরা। 
সরেজমিনে উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের ডোংগা মৌলভীপাড়ার ( সাইনবোর্ড বিহীন)  নওশাদ বেকারীতে দেখা যায় কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারী পন্য। কারিগরদের শরীরে নেই কোনো কাপড়, হাতে ও নেই কোনো গ্লাবস, মুখে নেই মাস্ক, শরীর দিয়ে অঝরে ঘাম ঝরছে। 

কারখানার ভিতরে কাঁদা নর্দমায়  গড়াগড়ি খাচ্ছে সবপন্য। দেখে শরীর শিউরে ওঠবে সবার । বেকারীর মালিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ ১৬ বছর  ধরে এখানে আমার বেকারীর কাজ করে যাচ্ছি। এখন পযর্ন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। অপর দিকে বেকারির বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়াই বাহিরের আশার আলো বেকারীর মোড়ক ব্যবহার করে বাজার জাত করছেন। প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ উর্ওীন্ন তারিখের কোনো সীল বা লেখা নেই। চাঁদখানা ইউনিয়নের ডোংগা মৌলভীপাড়ার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, আমাদের চোখের সামনে এসব খাবার তৈরি হচ্ছে। তবুও আমরা না দেখার ভান করে থাকি৷ কেননা, আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদের উপর খেপে যায়। তারা আরও বলেন চোখে দেখে এসব কি খাওয়া যায়? তাই আমরা এসব খাইনা। এব্যাপারে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আহমেদ আলী শাহ বলেন, আমি আগে কিছু বলতে পারছি না। নিজে গিয়ে দেখার পর আপনাকে জানাবো এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আবু সফি মাহমুদ বলেন, এসব অস্বাস্থ্যকর খাবারে মানুষের অনেক রোগ হতে পারে। ডায়রিয়া, বমি, এসিটিডি, মাথা ধরা সহ আরো অনেক রোগ হতে পারে। এবং বিশেষ করে কোমল শিশুদের বেশি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

Leave a Reply