Fri. Apr 23rd, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার উত্তরাঞ্চলের দরিদ্রদের কর্মসংস্হান নিশ্চিত করণ কর্মসুচী (উদকনিক)২য় পর্যায় প্রকল্পের ৪৮জন পুরুষ ও নারী প্রশিক্ষনার্থী প্রশিক্ষণ শুরুর দাবিতে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রশিক্ষণ শুরুর দাবি জানান,পরে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার আবু তাহের চলতি মাসের মধ্যে পুনরায় প্রশিক্ষণ শুরুর অাশ্বাস দিলে বিক্ষদ্ধ পুরুষ ও নারীরা অফিস ত্যাগ করেন।ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দুপুরে,এ সময় অভিযোগকারী পুরুষ ও নারী প্রশিক্ষনার্থীদের মধ্যে কৃষ্ণ চন্দ্র রায়,মুক্তা রানী,নাসিমা বেগম,সারজিনা বেগম উপস্থিত সাংবাদিকদের অভিযোগ করে বলেন আমরা জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম,গোলমুন্ডা,ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের ৪৮জন পুরুষ ও নারী গত ২০২০সালের জুন মাসে ৬০দিনের জায়গায় ১৪দিন প্রশিক্ষণ গ্রহন করার পর আকস্মিক ভাবে প্রশিক্ষণ বন্ধ করে দেয়।পরবর্তীতে ৪মাস পেরিয়ে গেলেও অদ্যবদী প্রশিক্ষন শুরু হয়নি। তারা আরো জানায় ১৪দিনের ভাতা সরুপ ৩৫শত টাকা করে পেলেও বাকী টাকা নিয়ে টালবাহানা করছে পল্লী উন্নয়ন অফিসার ও জুনিয়র অফিসার (হিসাব রক্ষক)।
এ সময় উপস্থিত উদকনিক প্রকল্পের প্রশিক্ষকগনের সাথে কথা বললে, তারা জানান, আমরা দিন হাজিরা ভিত্তিক চাকুরী করি, জানুয়ারী মাস থেকে আমাদের প্রশিক্ষন বন্ধ, আমরা করোনা কালীন সময়ে মানবতার জীবন যাপন করেছি। আমরা স্যারকে অনেক অনুরোধ করে জুন/২০ মাসে প্রশিক্ষন শুরু করেছি কিন্তু আরডিও স্যার ১৪দিন প্রশিক্ষন চালানোর পর প্রশিক্ষন বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা আজ স্যারকে প্রশিক্ষন শুরু করার অনুরোধ করলে, স্যার আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে, আমাদেরকে অফিস থেকে বের করে দেন।
এ বিষয়ে কথা বললে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার আবু তাহের বলেন করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে প্রশিক্ষণ বন্ধ করা হয়েছে।পরবর্তীতে প্রশিক্ষণ শুরুর তারিখ ঘোষণা হলে প্রশিক্ষণ শুরু করা হবে, কিন্তু একই জেলার অন্যান্য উপজেলায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে, তাহলে অন্য উপজেলায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কিভাবে চলছে জানতে চাইলে পল্লী উন্নয়ন অফিসার বলেন অন্য উপজেলার বিষয় আমার জানা নেই।

Leave a Reply