Sun. Apr 18th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


রউফুল আলম, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ 

পৃথিবীতে ফুল ভালোবাসে না এমন মানুষের সংখ্যা খুজে পাওয়া ভার। বাড়ির উঠান জুড়ে, ঔষুধি চারাসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা সংরক্ষণ করে, বানিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করায়, এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের কৃষক গোপী নাথ রায়। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সেই বৃক্ষ ভান্ডারে এসে বিভিন্ন চারা সংগ্রহ করছেন। ৫০টি জাতের ফুল দিয়ে শুরু করা এই বাগানে এখন ফুল ফুটছে হাজারো প্রজাতির। ফুলের পাশাপাশি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে নানা শিল্প কর্ম। গাঁদা, রজনীগন্ধা, এ্যালামুন্ডা, মোরগ, নীলপদ্ম, সাদা পদ্মসহ কয়েক’শ জাতের ফুল উৎপাদন হচ্ছে এখানে।


কিশোরগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডি ইউনিয়নের বাবলা গ্রামে নিজ বাড়ীর উঠানে কৃষক গোপী নাথ রায় ১৪ শতক জমির উপর বাণিজ্যিকভাবে গাছের চারা বিক্রি শুরু করেন। টানা ১ বছরের মধ্যে আর্থিকভাবে সফলতার মুখ দেখায়, তা এখন দাড়িয়েছে ৫ বিঘার উপরে। সেখানে নিবিরভাবে পরিচর্যা করা হচ্ছে গাছের চারা। নানা প্রজাতির বৃক্ষরাজিসহ ওষুধি গাছের চারা সংগ্রহ করে সমৃদ্ধ নার্সারী হওয়ায় সেখানে প্রতিনিয়ত অসংখ্য বৃক্ষপ্রেমীর ভীড়। কেউ কেউ বিনোদনের খোরাক মেটাতেও ছুটে আসছেন ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তোলা নার্সারীটি এক নজর দেখতে। ক্রয় করছেন পছন্দের চারা গাছ।


তবে নার্সারীর মালিক কৃষক গোপী নাথ রায় বলছেন, সরকারি বা বেসরকারিভাবে অর্থিক ঋণ সুবিধা পেলে ব্যক্তিগত উদ্যোগের এই নার্সারী হতে পারে কর্মসংস্থানের অন্যতম মাধ্যম। হতে পারে উত্তর জনপদে গোপী পার্ক নামের একটি প্রতিষ্ঠানও।


এখন শুধু সহযোগীতা পেলেই গোপী নার্সারী যেমন হতে পারে বৃক্ষ চারা রোপণের ভান্ডার তেমনি কর্মসংস্থানের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলেও মনে করেন দর্শনার্থীরা।


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃৃৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, এমন ব্যক্তি উদ্যোগ সত্যিই প্রসংশার দাবিদার।

Leave a Reply