Fri. Apr 23rd, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃশখের বশে লেখক হওয়া আর জাত লেখক হওয়া এক কথা নয়। লিখতে গিয়ে যদি লেখকের মধ্যে ঘোর তৈরি না হয় তাহলে কি ভালো লেখা হয়! লেখক সত্তা ভিন্ন জিনিস। ঘষেমেজে আর যা-ই হোক লেখক হওয়া যায় না। আর জনপ্রিয়তার আকাংকায় যারা লেখেন, লিখতে পারেন। তবে টিকে থাকতে হলে ভালো লেখা দিয়েই টিকে থাকতে হবে। চটুল লেখা দিয়ে হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য কিছু পাঠক পাওয়া যায়। কিন্তু কালের চক্রে তা দ্রুতই হারিয়ে যায়। আর লেখালেখি করে জীবিকা নির্বাহ করা আমাদের দেশে এখনো কঠিন।আমার একটু ছোটখাটো ইচ্ছে হলো তাই লিখলাম। শুরুতেই সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি যদি কোন ভুল ত্রুটি থাকলে।আমি ছোটবেলা থেকেই প্রতিবাদী স্বভাবের। অন্যায় অত্যাচার অনিয়ম একদম সহ্য করতে পারি না। ভেতর থেকেই প্রতিবাদটি সঞ্চারিত হয়রোহিঙ্গা সমস্যা তিন বছর পূর্ণ হয়ে চতুর্থ বছরে পদার্পণ করেছে।বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট হিসেবে স্বীকৃত রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। গত তিন বছরে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। মিয়ানমারে এই জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়েছে। বরং চলতি বছরের শুরু থেকেই কভিড-১৯ মহামারির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক মনোযোগ হারিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মিয়ানমারের অপপ্রচারসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদাসীন ভূমিকায় সংকট আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।কক্সবাজারের দুইটি উপজেলা, টেকনাফ এবং উখিয়ায় মূলত তাদের জন্য শিবির গড়ে তোলা হয়েছে।এই নতুন সংকটের কোন সমাধান না হওয়ায় বাংলাদেশের ভেতরে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।অন্যদিকে, মিয়ানমার এখনো পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেবার কোন প্রতিশ্রুতি না দেয়ায় শরণার্থীদের কেউ ফিরে যেতে সম্মত হচ্ছে না।যতই দিন যাচ্ছে ততই বাংলাদেশের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে এই রোহিঙ্গা ইস্যু। রোহিঙ্গাদের সংখ্যা দিন দিনে বেড়েই চলছে। এক হিসেবে দেখা যায়, গত দুই বছরে জন্ম নিয়েছে ৯১ হাজার রোহিঙ্গা শিশু। প্রতিদিন গড়ে বাড়ছে ১২৫ জন রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বিভিন্ন মানবিক নিরাপত্তাঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, জীবিকার নিরাপত্তা এবং মানব পাচার সংক্রান্ত নিরাপত্তার ঝুঁকির মতো ঝুঁকি।জানা যায়, রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়রা অনেকেই অসুস্থ হয়ে ও হাসপাতালে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে পানিবাহিত রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির সৃষ্টি হচ্ছে। দৈনিক সাড়ে ৫ হাজার টন মানুষের বর্জ্য রাখার জায়গা নেই রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মিত শেডে।অপরদিকে রোহিঙ্গাদের কারণে উখিয়া ও টেকনাফে এখন স্থানীয় নাগরিকরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছেন। কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসায় ভয়াবহ ধস নামতে পারে এমন আশংকা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আজ পর্যন্ত তা শুরু হয়নি। এমনকি কবে থেকে শুরু হবে তাও নির্দিষ্ট করে জানা যাচ্ছে না। কাজেই প্রত্যাবর্তনে প্রক্রিয়া শুরু বা সম্পন্ন হওয়া নিয়ে একটা বড় আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।আজ আর নয় পরে কখনো সময় হলে লিখবো।ভালো থাকবেন সবাই।

Leave a Reply