Sat. Apr 17th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


রউফুল আলম, স্টাফ রিপোটার্র, কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী):

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ভূয়া স্নাতক পাস এর সনদ দিয়ে চাকুরী করে ধরা খেলেন এক শিক্ষক। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ রাজ্জাক (ইংরেজী) বিগত ২৫/০১/২০০৫ ইং সালে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে জুলাই ২০১৩ ইং সালে এমপিও ভুক্ত হন। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সূত্র নং জাতী:বি:/পরী/সনদ/৪৪৯/২০০৫/১০১৮৯, তারিখ ২৬/১১/২০১৮ইং স্মারক নং মোতাবেক ডিআইএ নীলফামারী / ৫৩৫-এস/রাজ: ১৩০০ তারিখ ১৫/১১/২০১৩ মোতাবেক এ অধিদপ্তর কর্তৃক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক স্নাতক সাময়িক সনদপত্রের রোল নম্বর ১১৬২৬৭, রেজিষ্ট্রেশন নম্বর – ৯০৮৯৮৮, শিক্ষাবর্ষ -১৯৯৯- ২০০০, বি.এ পাস,-২০০৩, ফলাফল- ২য় বিভাগ যাইয়ের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়,গাজীপুর প্রেরণ করে। এ পত্রের জবাবে সূত্র নং জাতীঃ বিঃ / পরী / সনদ / ৪৪৯ / ২০০৫ / ১০১৮৯ তারিখ ২৬/১১/২০১৮ মোতাবেক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় যাচাইয়ান্তে দেখা যায় যে, প্রেরিত সনদ পত্রের ফটোকপিতে উল্লিখিত ফলাফল অকৃতকার্য আছে পরিদর্শন ও নিরক্ষণ অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রনালয় এর ২২/১০/২০২০খ্রিঃ তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়। ফলে শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকের নিয়োগ বিধি সম্মত নয়। তিনি গত ০১/০৭/২০১৩ তারিখ এমপি ভূক্ত হন। এমপিও‘র তারিখ হতে ৩১/১২/২০১৮ তারিখ পর্যন্ত মোট ৯,০৬,৩৬০(নয় লক্ষ ছয় হাজার তিনশত ষাট) টাকা এর পরে গৃহিত সরকারি বেসরকারি সমুদয় অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরতযোগ্য। উল্লেখ্য যে, এর আগে ওই বিদ্যালয়ে ২জন সহকারি শিক্ষক লতিফুজ্জামান (লুলু) এবং মনিকা রানী রায়ের জাল নিবন্ধন সনদ ধরা পরে। বিষয়টি গোটা উপজেলা জুড়ে টক অপদা মাগুড়া অপ হাই স্কুল।

Leave a Reply