Mon. Apr 19th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ  

পারিবারিক কলহের জেরে মিনা বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধুকে গলায় রশি পেছিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। 

ঘঁটনাটি ঘটেছে রবিবার সন্ধ্যা সাত টার দিকে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচন্ডি ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামে। 
এ ঘটনায় মিনার বাবা এনামুল হক বাদী হয়ে দুজনকে আসামী করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ঘাতক স্বামী হাফিজুলকে আটক করেছে। 


মামলার এজাহার সূত্রে এবং প্রত্যক্ষদশর্ীদের কাছ থেকে জানা গেছে, পুটিমারী ইউনিয়নের উত্তর ভেড়ভেড়ী গ্রামের এনামুল হকের কন্যা মিনা বেগমের সাথে প্রায় ১৮ বছর আগে রণচন্ডি ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত তফদার আলীর ছেলে হাফিজুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই ছিল। মিনার স্বামী হাফিজুল পেশায় একজন গাছ ব্যবসায়ী। সে অনুযায়ী ব্যবসার টাকা পয়সা স্ত্রী কাছে জমা রাখতো।  ঘঁটনার দিন রবিবার সন্ধা সাতটার দিকে  হাফিজুল তাঁর স্ত্রীর কাছ থেকে জমানো টাকা ফেরৎ চায়। জমানো টাকার মধ্যে থেকে ৫শ টাকা কম হওয়ার কারনে ঘাতক স্বামী হাফিজুল ইসলাম তাঁর স্ত্রীকে মারধর করে গলায় রশি পেছিয়ে হত্যা করে।


মিনা বেগমের বাবা এনামুল হক জানান, আমার মেয়ে চার সন্তানের জননী। চার সন্তানের মধ্যে এক ছেলে মারা গেছে। আমি আমার মেয়ের সুখের জন্য বাড়ির সাথে মেয়েকে মুদি দোকান সাজিয়ে দিয়েছিলাম। জাতে করে সে নিজে দোকান থেকে কিছু আয় করে আমার নাতি নাতনীদের সাথে নিয়ে ভাল মন্দ খেতে পারে। কিন্তু ঘাতক জামাই হাফিজুল আমার সব স্বপ্ন ধুলিস্যাত করে দিয়ে আমার মেয়েকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। 


কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আউয়াল বলেন, স্ত্রীর কাছে জমানো টাকা থেকে ৫ শ টাকা হিসাবে কম হওয়ার কারনে হাফিজুল ইসলাম মিনা বেগমকে গলায় গাছ কাটার রশি পেছিয়ে হত্যা করে মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। এছাড়া ওই এলাকার আছাব উদ্দিনের ছেলে নজমুদ্দিন ওরফে নজু হাফিজুলকে পরামর্শ দিয়ে হত্যার ঘঁটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা করার কারনে তাঁকেও আসামী করা হয়েছে। 

Leave a Reply