Mon. Apr 19th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাহাঙ্গীর রেজা, স্টাফ রিপোর্টার : “শেখ হাসিনার উন্নয়ন, কৈশোরের জাগরণ” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে লক্ষ্য রেখে ২৪ নভেম্বর ২০১৯ ইং থেকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কতৃক পরিচালিত কিশোর কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্পের ৪৮৮৩ ক্লাবের কার্যক্রম শুরু হয়।

এই প্রকল্পের আওতায় ৯৫ জন ফিল্ড সুপারভাইজার,১০৮৬ জন জেন্ডার প্রোমোটার,২৯২২ জন সঙ্গীত শিক্ষক ও ২৮১৪ জন আবৃত্তি শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছে। জেন্ডার প্রোমোটাররা অনেক দক্ষতার সাথে ক্লাবগুলো পরিচালনা করে আসছিল। ক্লাবগুলোতে জেন্ডার প্রোমোটার, সঙ্গীত শিক্ষক ও আবৃত্তি শিক্ষকদের দৈনিক ভিত্তিতে যে ভাতাপ্রাপ্ত ছিল যা তাদের পরিবার চালানোর একমাত্র উপায় ছিল।

কিন্তু করোনা নামক অদৃশ্য ভাইরাস তাদের ২ বেলার খাবার কেড়ে নিয়েছে। ২৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দীর্ঘ ৮ মাস ক্লাবগুলো বন্ধ থাকার কারনে কোন প্রকার ভাতা পাচ্ছে না। একারনে বর্তমান পরিস্থিতিতে ১০৮৫ জন জেন্ডার প্রোমোটার, ২৯২২ জন সঙ্গীত শিক্ষক ও ২৮১৪ জন আবৃত্তি শিক্ষকের জীবন পরিচালনা করা অনেক কষ্টকর হয়েছে।

অথচ একই প্রকল্পের ফিল্ড সুপারভাইজার রা নিয়মিত বেতন পাচ্ছে।অনেক অপেক্ষার পর ১৭-১১-২০২০ ইং তারিখের প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটি(পিইসি) এর মিটিং এ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তারের সভাপতিত্বে এক অমানবিক সিদ্ধান্ত নেয় যা প্রায় ৭০০০ মানুষের জীবনকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। দৈনিক ভিত্তিকের অজুহাত দেখিয়ে এই করোনা মহামারিতে ৭০০০ কর্মচারীকে ৮ মাস ধরে বেতন বঞ্চিত করা হয়েছে। অথচ ডিপিপিতে কোথায় “কাজ নাই ভাতা নাই” শব্দটি লেখা নাই। করোনা মহামারিতে সবাই প্রনোদনা পেয়েছে।

কিন্তু এই এই প্রকল্পের কর্মচারীরা দীর্ঘ ৮ মাস ধরে অভাব, অনটনে বিপর্যস্ত অবস্থায় জীবন পরিচালনা করতেছে। এই প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে জনবলের মাধ্যমেই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর অপরাধ দমন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, জেন্ডার বেইজ ভায়োলেন্স দূরীকরণ, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দেশকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব । পিইসি মিটিং এর এই অমানবিক সিদ্ধান্ত ৭০০০ মানুষের মনোবল ভেঙে দিয়েছে যা প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে।

Leave a Reply