Mon. Apr 19th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চলমান ডোপ টেস্টে (মাদক পরীক্ষা) এখন পর্যন্ত ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত ৬৮ সদস্যের দেহে মাদকের অস্তিত্ব মিলেছে। তাদের মধ্যে ৫০ জনই কনস্টেবল। শুধু মাদক সেবন নয়, মাদক বিক্রি ও নিরীহ লোককে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়া এবং বেশি মাদক উদ্ধার করে কম দেখানোর মতো অপরাধেও ডিএমপির কিছু সদস্যের জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশের তদন্তে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, মাদক বিক্রিতে ১০ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। মাদক দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে পুলিশের ১০ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া টাকার বিনিময়ে উদ্ধার করা মাদক কম দেখানোর অপরাধে চারজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, ডোপ টেস্ট করে দেহে মাদকের অস্তিত্ব মেলার পর ডিএমপির ১০ সদস্যকে ইতোমধ্যে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আরও ১৮ জনকে চাকরিচ্যুত করার প্রক্রিয়া চলছে। ২৫ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডিএমপি সূত্র জানায়, ডোপ টেস্টে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে উপপরিদর্শক (এসআই) ৭ জন, সার্জেন্ট ১ জন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ৫ জন, নায়েক ৫ জন এবং কনস্টবল রয়েছেন ৫০ জন।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, মাদক সংশ্নিষ্টতায় শাস্তি দেওয়ার আগে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও যারা নিজেদের ভালো পথে আনতে পারেনি, গত দুই মাস ধরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মো. ওয়ালিদ হোসেন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহিষ্ণু নীতি রয়েছে। মাদক সেবক বা ব্যবসায়ী যে হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ সদস্যদের শাস্তির মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে, মাদকে পুলিশের কেউ জড়িত থাকলেও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

Leave a Reply