Sat. Apr 17th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম মনির চৌধুরী রানা,চট্টগ্রাম:

চন্দনাইশে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে রুবি আকতার (২২) নামে এক সন্তানের জননীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার ২৭শে নভেম্বর সকালে দোহাজারি দিয়ারকুল আশ্রম কেন্দ্র এলাকার শশুর বাড়ীর বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগানোর অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসকরা রুবিকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহত রুবি আকতার বাঁশখালী উপজেলার ফুলছড়ি নতুনপাড়া এলাকার রাজামিয়ার কন্যা। তার ৮ মাস বয়সের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। রাজামিয়া বলেন দুই বছর আগে সামাজিকভাবে বিবাহের অনুষ্ঠান করে আমার মেয়ের সাথে বিয়ে হয় চন্দনাইশের দিয়ারকুল আশ্রম কেন্দ্র এলাকার অটোরিকশা চালক মহিউদ্দিনের সাথে।

বিয়ের পর থেকে স্বামী ও শশুর পক্ষের লোকজন যৌতুকের জন্য আমার মেয়ের উপর সবসময় শারীরিক মানষিক নিযার্তনের চালিয়ে আসছিল। ইতোপূর্বে মেয়ের দিকে তাকিয়ে হওলাদ করে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে জামাইকে একটি অটোরিকশা কিনে দিয়েছি। সেটি এখন সে চালায়। এরপরও ১ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য সবসময় মেয়ের উপর নির্যাতন করে আসছিল।

আজ সকালে জামাই নিজে তার শাশুড়ি আমার স্ত্রীকে ফোন করে বলে রুবি বাথরুমে পা পিছলে পড়ে আহত হয়েছে। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। সে কথা মোবাইলে রেকর্ড আছে। অথচ এখন তারা পুলিশকে বলেছে আমার মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রাজামিয়া আরো বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। তাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু চন্দনাইশ থানা পুলিশ আমাদের হত্যা মামলা না নিয়ে আত্মহত্যা মামলা করেছে।

মামলার জানতে চাইলে চন্দনাইশ থানার সাব ইন্সপেক্টর জাকির হোসেন বলেন, প্রাথমিক আলামতে মেয়েটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে। আমরা লাশের পোষ্ট মর্টেম করিয়েছি। যদি পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আঘাত জনিত কারণে মৃত্যুর কথা উল্লেখ থাকে তাহলে অবশ্যই হত্যা মামলা হবে। আমরা মামলা নিচ্ছি না। এক অভিযোগ সঠিক নয়। হত্যা হয়ে থাকলে অবশ্যই হত্যা মামলা হবে।

Leave a Reply