Sun. Apr 11th, 2021
Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


মোঃ জাকির হোসেন,, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার নির্বাচনে সকাল থেকেই পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল ও ইভিএমে কারচুপির অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন ২টি ওয়ার্ডের ৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী। বেলা ১২ টায় শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মিস্ত্রীপাড়া মোড় ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হানিফ মোড় এলাকায় পৃথক পৃথকভাবে সংবাদ সম্মেলন  মাধ্যমে তারা এ ঘোষণা দেন।

 
পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডের ৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মিস্ত্রীপাড়া মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে একসাথে ভোট বর্জনের ঘোষনা দেয়। তারা হলেন, বর্তমান কাউন্সিলর ও জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক তারিক আজিজ (পানির বোতল), আসলাম পারভেজ (ডালিম), মোঃ আসলাম (পাঞ্জাবি) ও পারুল বেগম (গাজর)।
তারা দাবি করেন যে, আওয়ামীলীগ নেতা ও কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কাশেম দুলু নিজে মিস্ত্রীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অবস্থান করে অন্য প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দিয়ে কেন্দ্র দখল করে নিয়েছেন। এমনকি আমাদেরকেও (প্রার্থীদের) কেন্দ্রে ঢুকতে দিচ্ছে না। তিনি একতরফাভাবে তার উটপাখি মার্কায় ভোট মেরেছেন। এর প্রতিবাদ করলে প্রশাসনের লোকেরাও আমাদের গ্রেফতার করার হুমকি দেয়। ভোটারদের জোর করে টিপসহি নিয়ে বের করে দিয়ে সে ভোট উটপাখিতে দিচ্ছে তার লোকজন ও প্রশাসন।   


একইভাবে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর আবিদ হোসেন লাড্ডান (গাজর), মোঃ সালাম (পাঞ্জাবি),  কালাম খান (টেবিল ল্যাম্প) ও ইমতিয়াজ (ডালিম)। তারা বাঁশবাড়ী হানিফ মোড় এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে অভিযোগ করেন যে পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী (উটপাখি) ভোট শুরুর আগে থেকেই কেন্দ্র দখলে নেয়। পৌরসভার বাইর থেকে সাঙ্গপাঙ্গ এনে তাদের দিয়ে অন্য প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের বাধা দিয়ে বাঁশবাড়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়  ভোট কেন্দ্রের গেটেই আটকে দেয়। এসময় প্রার্থীরা খবর পেয়ে কেন্দ্রে গেলে তাদেরকেও ধাওয়া করা হয়। পরে প্রশাসনও তাদের সাথে নৌকা ও উটপাখির লোকজনের সাথে একযোগ বুথে ভোট দেয়। এসময় সাধারন ভোটাররা গেলে তাদের সই নিয়ে ভোট দেয়ার আগেই বর করে দেয়া হয়। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসন হয়রানী শুরু করে। বাধ্য ভোটার ভোট দেয়া বন্ধ করে রাস্তায় শ্লোগান দিতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ভোট চুরি রোধ করতে কর্তৃপক্ষের সহযোগীতা না পেয়ে ভোট বর্জনের ঘোষনা দেয়। 

Leave a Reply