দেশ বাণী ডেস্ক

আমাদের প্রচুর প্রয়োজন,চাওয়ার শেষ নেই। আছে কী?

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আঃজলিলঃ


মানুষ মরনশীল জন্মালে মৃত অবধারিত সেটা কিছুতে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।দুই দিনের এই দুনিয়াই মানুষের কত কিছুই না দরকার যাহা বলে বুঝানো সম্ভব নয়।
তাই তো সাংবাদিক হিসাবে মন্তব্য প্রতিবেদন কলমে কিছু কথা না লিখলে নয়।

আমাদের এই সমাজের যে ব্যক্তিরা প্রতিদিন সুস্বাদু খাবার খাই তারা অনেকেই মনেকরি, এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এর চেয়ে যদি বেশি ভাল খাবার খেতে পারতাম।কিন্তু নিত্যনতুন পোশাক পরিবর্তন করা মানুষদের কাছে বস্ত্রহীন লোকেদের আর্তনাদ বোঝা বড্ড দুষ্কর।যেটি সমাজের বাস্তবতার নিরপেক্ষতার দিক হিসাব পর্যোলানাচনা করলে বুঝে যায় যে আমরা কোন প্রকৃতির মানুষ। আর আমাদের কতই কি না প্রয়োজন।’

আমাদের প্রচুর প্রয়োজন,চাওয়ার শেষ নেই
আছে কী?মিছে মায়ার এই দুনিয়াই চোখ বুঝিলে অন্ধকার আর সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আলোর সঠিক পথ টা উপলব্ধি করতে হলে আল্লাহ ও আল্লাহহ রাসুলের দেওয়া বিধান মোতাবেক কোরান ও হাদিসের আলোকে জিবনটা প্রচালিত করায় হলো একান্তই প্রয়োজন।

নিজেদের অবস্থান নিয়ে কখনোই সন্তুষ্ট নই আমরা, আমাদের প্রচুর প্রয়োজন। যার টাকা আছে তার বহু টাকার প্রয়োজন যার সাইকেল আছে তার বাইক প্রয়োজন, যার অ্যান্ড্রয়েড আছে তার অ্যাপেল প্রয়োজন। কখনোই আমাদের প্রয়োজন ফুরায় না।

কখনো কি খেয়াল করেছি আমাদের থেকে খারাপ অবস্থায় যারা রয়েছে তাদের সাথে কেনো নিজেদের তুলনা করি না?

হয়তো তাদেরকে মাঝেমধ্যে গুটিকয়েক লোকেরা দয়ার দৃষ্টিতে দেখি। আমরা চাই যারা আমাদের থেকে উঁচু অবস্থানে আছেন তাদের মতো হতে।

মনে রাখা দরকার আমরা আজকে যে অবস্থানে আছি এবং না পাওয়ার আক্ষেপে যে কষ্ট পাচ্ছি। ঠিক এই অবস্থানে আসার জন্য অন্য কেউ আল্লাহ তায়া’লার নিকট চোখের পানি ছেড়ে দুটি হাত তুলে হয়তো বা দোয়া করছেন।

এইযে ভারতের গুজরাটের ঘটনা, এক সিলিণ্ডার অক্সিজেনের জন্য এক ব্যবসায়ী নিজের সমস্ত ভুসম্পত্তি লিখে দিতে চেয়েও বাঁচতে পারেন নি।
অথচ, পৃথিবীর প্রায় সাত/ আট বিলিয়ন মানুষ দু ঘন্টা না, দু বছর না, বছরের পর বছর বিনা পয়সায় অক্সিজেন পাচ্ছে।রহমতের এমন সাগরে ডুবে আছি বলেই- এটা যে কত বড় নেয়ামত তা আমরা কখনো একটি বারের জন্য উপলব্ধি করতে পারছিনা বা চেষ্টা ও করিনা।

একবার শেখ সাদী (রহ:)আল্লাহ তায়া’লার কাছে বললো হে আল্লাহ আমি এতো বড় কবি, কিন্তু আমার পায়ে দেয়ার মতো জুতা নেই। এর পরে তিনি ঘর থেকে বেড় হলেন, ঘর থেকে বের হয়ে দেখে এক ব্যক্তির পা নেই। সাথে-সাথে তিনি সেজদায় গিয়ে মহান রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে শুকরিয়া আদায় করে।

সুতরাং নিজের অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন। আর সেই টুক নিয়ে সন্তোষ্টি থাকাই শ্রেয় বলে মনে হয়। আপনি বোঝার চেষ্টা করুন, আপনি আমি আমরা কতইনা ভালো অবস্থানে আছি।যাহা বলে বুজানো সম্ভব নয়।

আর সুযোগ পেলেই মহান আল্লাহ রাব্বুল
আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করি এবং বলুন- আলহামদুলিল্লাহ সকল প্রশাংসার মালিক আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতাআ’লা তিনি একচ্ছত্র অধিপত্যের সেই মালিক তিনি কি না পারেন যেটি অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

Leave a Reply