নীলফামারীতে শিক্ষার্থীরা ফ্রি ফায়ার ও পাবজি নামক গেমে আসক্ত | দেশবানী

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

তিথী অপ্সরা বিনতে আলম,(নীলফামারী):

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় নীলফামারীতে অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ার ও পাবজি নামক গেইমে আসক্ত শিক্ষার্থীরা।
নীলফামারী এবং সদরের বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দিন দিন অমনোযোগী হয়ে পড়ছে লেখাপড়া থেকে। খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়ে দিন রাত ব্যস্ত সময় পার করছে ইন্টারনেট ফাইটিং গেম ফ্রি ফায়ার ও পাবজি নামক গেইমে।’

কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এ যেন এক নেশায় আসক্তর মত জড়িয়ে গেছে।

যে সময় তাদের ব্যস্ত থাকার কথা নিয়মিত পড়াশোনা সহ শিক্ষা পাঠ গ্রহন নিয়ে ও খেলার মাঠে ক্রীড়া চর্চার মধ্যে, সেখানে তারা ডিজিটাল তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে জড়িয়ে পড়েছে ফ্রি ফায়ার ও পাবজি নামক গেমের নেশায়।’

শিক্ষার্থীরা অনেকে পড়ার টেবিল ছেড়ে খেলছে মোবাইল গেমস, কখনো ইন্টারনেটের খারাপ সাইটে বিভিন্ন ছবি দেখছে। ফলে তারা নৈতিক মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলছে। লেখাপড়ায় অমনোযোগী হয়ে পড়ছে। এতে একদিকে তাদের ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে অপরাধ প্রবণতা বাড়ছে। তাই কিশোর-কিশোরীদের মা-বাবাসহ সমাজের সবারই খেয়াল রাখতে হবে, যেন তারা মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার না করে এবং প্রতিটি সন্তানকে একটু যত্ন সহকারে খেয়াল রাখার দায়িত্ব বা কর্তব্য বলে মনে করেন তিনি।

ফ্রি ফায়ার নামক গেমকে মাদকদ্রব্যর নেশার চেয়ে ভয়ঙ্কর বলে উল্লেখ্য করেন স্থানীয় কয়েকজন প্রবীন সমাজ সেবকেরা। নাম বলতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ইয়ং জেনারেশন এখন ফ্রি ফায়ারের দিকে আসক্ত।

যেটা কিনা একটা অনলাইন গেম সেখানে গ্রুপিং এর মাধ্যমে জুয়ার আসর তৈরি হচ্ছে। ফ্রী ফায়ার গেম ব্যবহার কারি কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানা যায়, করোনা ভাইরাসের কারণে সারা বিশ্ব যেখানে থমথমে আছে সেখানে আমাদের মত ছাত্ররা কি করবে, সারা দিন তো আর ঘরে বসে দিন কাটাতে পারি না।

স্কুল বন্ধ, কোচিং বন্ধ, একা একা বাসাতে থাকতে থাকতে সময় যেন আর যায় না তাই এই অনলাইন গেম ফ্রি ফায়ারে সবার সাথে যোগাযোগ করতে যেমন পারছি সেই সাথে বিনোদন ও নিতে পারছি।

তারা আরও বলে এই গেম থেকে যখন বিনোদন নেওয়ার জন্য খেলতাম তখন কোনো খরচ ছিলো না।

আসতে আসতে যখন আমার এটার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ি তখন প্রতিটা ইভেন্টে ৪০০, ৫০০ টাকা খরচ না করলে যেনো হয়ই না। গেমটি তে প্রথমে কোনো খরচ লাগে না যখন গেমটিতে পুরোপুরি ভাবে মনোযোগ দিই তখন দেখি গেমের ভিতরে এমন কিছু জিনিস আছে যে গুলো না কিনলে নয়।

যেমন, অলকের দাম ৪০০ টাকা, একটা প্লিয়ারে জারছি ৩০০ টাকা নতুন ইভেন্ট আসলেই ২০০০ এর নিচে যাইনা। সম্পূর্ণ ড্রেস কিনতে লাগে ১২০০ টাকা আর রেগুলার ইভেন্টের কথা তো বাদই থাকো।

আপনারা জানেন জে. এস. সি, এস.এস.সি, এইচ.এস.সি পরীক্ষা সাময়িক ভাবে বন্ধ আছে। তাই শিক্ষার্থীরা অমনোযোগী হয়ে পড়েছে লেখাপড়ার দিকে। তার ভিতরে আবার এই অনলাইন গেমস ফ্রী ফায়ার ও পাবজি যেটাতে আসক্ত সব বয়সের শিক্ষার্থীরা।’

Leave a Reply