দেশ বাণী ডেস্ক সারা বাংলা

শার্শা গোড়পাড়া সরকারি হাসপাতালের প্রাচীর ঘেষে মালিকানা স্থাপনা নির্মান

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আঃজলিল,যশোরঃ

শোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ১১নং ইউনিয়নের গোড়পাড়া বাজার সংলগ্ন গোড়পাড়া মা ও শিশু সরকারি হাসপাতালের পশ্চিম পার্শের বাউন্ডারি প্রাচীরের গা ঘেষে মালিকানা স্থাপনা নির্মান করছে সাদ্দাম হোসেন নামে এক প্রভাবশালী।’

বিষয়টি প্রতিবেদকের নজরে আসলে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী এই অবৈধভাবে গড়া স্থাপনার ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের সাথে সামনাসামনি কথা বলতে চাইলে সাদ্দাম হোসেন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, আমার বাড়িতে অনুষ্ঠান চলছে। আর আপনারা আমার বাড়িতে এসেন না। এসময় তিনি আর সাংবাদিকদের সাথে পরে কথা বলার কোন আগ্রহ বা(পরে কথা বলবো) এমন কোন আশ্বাস প্রদান করেননি।’

সরজমিনে ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সাদ্দাম হোসেন ৪০ লক্ষ টাকা দিয়ে এই জমিটি ক্রয় করেন। কিন্তু ভবন নির্মান বা স্থাপনা নির্মানের ক্ষেত্রে যেখানে একটি দেয়াল থেকে পার্শবর্তী দেয়ালের দূরত্ব ৩ ফুট রাখার কথা সেখানে দূরত্বই নেই, রয়েছে সিমেন্ট দিয়ে জয়েন্ট। তাও আবার সরকারি হাসপাতালে বাউন্ডারি প্রাচীরের সাথে।,

এ বিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বলেন, এটা আমার হাতে না। আমাদের দুইটা পার্ট ক্লিনিক এবং নন ক্লিনিক, আমি নন ক্লিনিকের ভিতর। আর ক্লিনিকের ভিতর এগুলো ডাক্তার আবু বক্কর সিদ্দিক এগুলো দেখাশোনা করেন। আপনি আবু বক্কর সিদ্দিকের সাথে এবিষয়ে কথা বলেন।

ডা.আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমরা এর আগে একবার সেখানে সরজমিনে গিয়েছিলাম তখন সাদ্দাম হোসেনের কথাবার্তা ঠিকঠাক ছিলো না। তখন ওনার বাবা এসে এক সপ্তাহ সময় চেয়ে নেন এটা ভেঙে সরিয়ে নেওয়ার।

ডা.আবু বক্কর সিদ্দিক আরও বলেন, আমি গতকাল (২৩মে) রোববার দুপুর নাগাদ সেখানে নিজামপুর ১১নং ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও মেম্বার কে সাথে নিয়ে আবারও ওই স্থান পরিদর্শনে যাই। গিয়ে দেখি তখনও তারা ওই অবৈধভাবে গড়া স্থাপনা সরিয়ে নেননি। তখন তাঁদের জিগ্যাসাবাদ করলে সাদ্দাম হোসেন ভুল স্বীকার করেন। এবং তারা আবারও সময় নিয়েছেন। এর পরও যদি তারা ওই স্থাপনা না সরায় তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবো।

১১ নং নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন: সরকারি জমির উপরে ঘর করছে আমার জানার বাইরে এবং ওইখানে একটা বাড়ি হচ্ছে এইটা আমি দেখেছি যখন বাড়ি শুরু হচ্ছে তখন খবর নিলাম ওটা নাকি রেকর্ডের জায়গা কিন্তু পরবর্তীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জায়গা ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে থেকে আমার কাছে কোন ব্যক্তি যোগাযোগ করিনি।

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে আমি জানি না। আপনি উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসারের সাথে কথা বলতে পারেন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা যদি আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করে তাহলে আমরা তাদের পূর্নাঙ্গ সহোযোগিতা করবো বলে জানান তিনি।

Leave a Reply