কিশোরগঞ্জে বাড়ী ভাংচুর ও লুটপাট ৯৯৯ কল আসামী ধৃত, থানায় জামিন, আদালতে মামলা | Deshbani

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ, নীলফামারীঃ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ঝেল্ল্যাপাড়া নিবাসী মোঃ আলেফ উদ্দিনের পুত্র মোঃ আওলাদ হোসেন ভালবাসার মাধ্যমে শারমিন আক্তারকে নিয়ে নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে ৭৪৯/২১ হলফনামা মূলে মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইয়া ঘর- সংসার করিতেছেন।

বখতিয়ারপুর, হাজিরহাট, রংপুর নিবাসী শারমীনের বাবা মোঃ ছানার মিয়ার(৪০)-এই বিবাহে সম্মতি না থাকায় গত ২২ মে/২১ খ্রিঃ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে সন্ত্রাসী আলামিন, সোহেল রানা ওরফে বিষু, আমজাত হোসেন, আনছার আলী, মোঃ ফয়সাল, নাজী বেগম অজ্ঞাত আর ও অনেক সন্ত্রাসীকে ভাড়া করে একজোট হইয়া বিকাল ৫ টার সময় লাঠি, ছোড়া, কুড়াল, দা ও মারাত্নক অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আলেফ উদ্দিনের বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ করিয়া আলেফ উদ্দিনের স্ত্রী পাতানী বেগম ও তার পরিবারের লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করে।

কিশোরগঞ্জে বাড়ী ভাংচুর ও লুটপাট

বাড়ী ঘর ভাংচুর করিয়া লুটপাট

জানা যায়, প্রতিবাদ করলে ছানার মিয়ার হুকুমে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা আলেফ উদ্দিনের বাড়ী ঘর ভাংচুর করিয়া লুটপাট করে। আলেফ উদ্দিনের ঘরের মধ্যে ছানার মিয়া ঢুকে কাঠের বাক্সে রক্ষিত জমি বন্ধকীর নগদ ২ লাখ ১২ হাজার টাকা বাক্স ভাংগিয়া বাহির করে নেয়। নাজী বেগম উক্ত কাঠের বাক্স হতে ২ ভরি সোনার চেন, কানের দুল. ১২ আনা, হাতের সোনার রুলি. ১২ আনা চুরি করিয়া নেয়।

পাতানী বাঁধা দিলে সন্ত্রাসী সোহেল রানা বিষু অসৎ উদ্দেশ্যে পাতানী বেগমের পড়নের শাড়ী, ব্লাউজ টানিয়া ছিরে ফেলে। ফলে পাতানী বেগমের শ্লীলতাহানি ঘটে। পাতানি চিৎকার করিলে ছানার মিয়া হাতে থাকা ছোড়া দিয়া বাম পায়ের উরুতে আঘাত করে জখম হয়। উপস্থিত সাবিনা বেগম বাঁধা দিলে সোহেল রানা বিষু লাটি দিয়ে এলোপাথারি আঘাত করে জখম হয়। পাতানী বাধা দিলে তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে গলা চেপে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে।

কিল, থাপ্পড়, চড় ঘুষি মারতে থাকে

উক্ত সময়ে আলেফ উদ্দিন বাড়ী আসলে উপস্থিত সকল সন্ত্রাসী কিল, থাপ্পড়, চড় ঘুষি মারতে থাকে ও ছানার মিয়া হুমকি দিয়ে বলে যে, মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে ব্যাটাকে ডান্টা মেরে ঠান্ডা করে দেব। ছানারের হুকুমে উল্লেখিত ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ঘরের চাটি- বেড়া, টিনের চালা ভাংচুর করে ঘরের আসবাব পত্র, চেয়ার, টেবিল, তোষক, বালিশ, ড্রেসিং টেবিল ভাঙ্গিয়া তছনছ করে বাড়ী ঘর ভাঙ্গিয়া দেয়।

উক্ত ঘটনায় পাতানী বেগমের শরীরের জখমের ব্যাথা নিরাময় না হওয়ায় চিকিৎসাধীন থাকায় কিশোরগঞ্জ থানা বরাবর এজাহার দিলে ওসি সাহেব এজাহার গ্রহণ না করায় আলেফ উদ্দিন বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত- ৪ নীলফামারীতে ৩০৭/৩২৪/৩২৩/৩৮২/৩৫৪/৪২৭/৩৮৮/৩৮০/১৪৭/৪৪৮/৫০৬(২)/৫১১ ধারায় মোকদ্দমা অনায়ন করেন।

এলাকাবাসী সূত্রে ও উক্ত ঘটনার স্বাক্ষীগণ জানান, কিশোরগঞ্জ থানায় কল দিয়ে ও থানা পুলিশের সহযোগিতা না পাওয়ায় ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করলে পুলিশ ঘটনা স্থলে আসে উপস্থিত ৭ জন সন্ত্রাসীকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ কতৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা বিনিময়ে রাত ১২ টার সময় গ্রেফতারকৃত ৭ আসামীকে ছাড়িয়া দেন।

Leave a Reply