দেশ বাণী ডেস্ক সারা বাংলা

চট্টগ্রাম নগরী তলিয়ে গেছে বৃষ্টির পানিতে,মূল সড়ক হাঁটু পানির নিচে | Deshbani

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম মনির চৌধুরী রানা,চট্টগ্রাম:

আজ (৬) জুন রোববার সকাল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টিতে দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ। জলাবদ্ধতার ভোগান্তিতে নগরবাসী,মূল সড়ক হাঁটু পানির নিচে।

নগরীর অক্সিজেন, ২ নম্বর গেট, মুরাদপুর, প্রবর্তক মোড়, চকবাজার খাল পাড়, সাগরিকা, নয়াবাজার, ওয়াপদা মোড় হালিশহর জুবলি রোড আগ্রাবাদ,বহদ্দারহাট সহ অনেক জায়গা পানিতে তলিয়ে গেছে। সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতা ও খাল ড্রেনের ময়লা জমে থাকায় প্রতিবারই বৃষ্টির সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় নগরবাসীর।

বিভিন্ন নালা নর্দমা প্রভাবশালীরা মাটি দিয়ে ভরাট করে রেখেছে, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নগরীর হালিশহর ওয়াপদা মোড়ে হাঁটু সমান বৃষ্টির পানি এলাকাবাসীর বলেন। আমরা অনেক বছর যাবত এই সমস্যা ভুগছি আবাহনী মাঠ কর্তৃপক্ষ ড্রেনে মাটি ফেলে ভরাট করে মাঠের ভিতরে মাটি নিয়ে যাচ্ছে।

তাই ড্রেন বন্ধ হওয়ার কারণে সড়কে টি হাঁটু পানির নিচে, বৃষ্টির পানি যাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই, এ ব্যাপারে আবাহানী কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে কাউকে পাওয়া যায়নি।

এবং স্থানীয় কাউন্সিলরের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি কোন সঠিক উত্তর দিতে পারে নাই।

এদিকে চাক্তাই খাল ও হিজড়া খাল পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়ায় বৃষ্টির পানি আশপাশের ঘর বাড়িতে উঠে গেছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সিডিএ’র অধীনে ৫ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান প্রকল্পের অধীনে নগরের বিভিন্ন খালে বাঁধ দেওয়া হয়েছে, যা এখন জলাবদ্ধতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন নগরবাসীরা।

নগরবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘জনপ্রতিনিধিরা প্রতিবারই আশ্বাস দেয়, শুধু আশ্বাসই থেকে যায় কোনো কাজ হয় না। কোনো সংস্থা কার্যকর উদ্যোগ নেয় না। ফলে বছরের পর বছর জলাবদ্ধতার ভোগান্তি পোহাতে হয় নগরবাসীকে।

এদিকে বৃষ্টির কারনে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করা বাসিন্দাদের ভারী বর্ষণের পাহাড় ও ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর বলছেন জেলা প্রশাসক এর সমন্বয়ে পাহাড় থেকে জনসাধারণকে নিরাপদ স্থলে নেয়া হবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান বলেন, ‘পাহাড়ি এলাকায় লোকজনদের সতর্ক করতে আমরা মাইকিং করেছি। পাশাপাশি আমরা সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি।

আবহাওয়া অফিস থেকে বলা হয়, মৌসুমি বায়ু ও লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে এই বৃষ্টি টানা এক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

Leave a Reply