দেশ বাণী ডেস্ক দেশজুড়ে

করোনাতেও কিস্তির চাপ অসহায় ঋণ গ্রহীতা

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি :

দেশে এখন দ্বিতীয় ঢেউয়ের মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রভাব বিস্তার করছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্তের কয়েকটি জেলা ও পৌরসভা লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। লকডাউন ঘোষনার তালিকায় জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি পৌরসভাও অর্ন্তভুক্ত আছে।’

করোনায় নিম্ন আয়ের মানুষ অসহায় হয়ে পরেছে এমন প্রতিকুল ও সংকটপূর্ণ সময়েও থেমে নেই এনজিও গুলোর কিস্তি আদায়। ফলে বিপাকে সবচেয়ে পড়েছে নি¤œ আয়ের মানুষগুলো। এমন পরিস্থিতিতে যেখানে ছেলেমেয়ে নিয়ে সংসার চলায় কঠিন তার উপর আবার সপ্তাহের প্রতিদিনই কিস্তির চাপ।

জয়পুরহাটের পাঁচবিবির পশ্চিম রামচদ্রপুর গ্রামের মনতাজের ছেলে রাজু আহম্মেদ নিজের ও মা-বাবার নামে ৫টি এনজিও থেকে প্রায় ২ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়ে আটাপাড়া রেলগেটে পান-বিড়ির দোকান শুরু করেন। তিনি বলেন, করোনার আগে দোকানে বিক্রয় ভালই হত তা দিয়ে সংসার চলত ও কিস্তিও দিতাম। করোনা শুরুর পর থেকেই বেচাকেনা নেই বললেই চলে এজন্য দোকান বন্ধ করে দেই। এখন ধান ভাঁঙ্গা মিলে কাজ করে কয়টা টাকা পাই তা দিয়ে সংসার চালাই কিস্তি দিতে পারিনা। রাজু বলেন, প্রত্যেক দিন কিস্তির চাপে আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি আত্বহত্যা করা ছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই।’

পাঁচবিবি উপজেলা এনজিও সমন্বয় পরিষদের উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম চৌধুরী শাহিন বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখাযায় কোন ব্যাক্তির জমি-জমা নেই, ভালো কোন আয়ের উৎসও নেই এসব জানার পরও এনজিও গুলো ঢালাও ভাবে ঋণ প্রদান করচ্ছেন।’

একই ব্যাক্তি যেন একাধিক এনজিও থেকে ঋণ নিতে না পরে সেক্ষেত্রে যাচাবাচায় করা উচিৎ। না হলে উপকারের চেয়ে ঋণ গ্রহীতারা বিপাকেই পড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিঁনি।- Bd news

Leave a Reply