আলোচিত দেশ বাণী ডেস্ক

ইভ্যালির সেই ৩৩৯ কোটি টাকার খোঁজে মাঠে নামবে দুদক | Db News

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দেশবানী অনলাইন ডেস্ক।। “ইভ্যালির সেই ৩৩৯ কোটি টাকার খোঁজে মাঠে নামবে দুদক”। গ্রাহক ও মার্চেন্টদের থেকে অগ্রিম নেয়া ইভ্যালির ৩৩৯ কোটি টাকার কোনো হদিস মিলছে না বলে জানি’য়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।,

এ অর্থ আত্মসাৎ বা অবৈধ’ভাবে সরিয়ে ফেলার আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তদন্ত সাপেক্ষে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটির বিরুদ্ধে আইনা’নুগ ব্যবস্থা নেয়ারও সুপারিশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তারই প্রেক্ষিতে এবার হদিস না পাওয়া সেই অর্থের খোঁজে মাঠে নামছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।,


বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে শিগ’গিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে কমিশন।’

তবে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় সরকার ঘোষিত কঠোর লক’ডাউনের কারণে অনু’সন্ধান কাজ কিছুটা ধীর’গতিতে শুরু হতে পারে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে।

ইভ্যালির সেই ৩৩৯ কোটি


এ বিষয়ে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) মো. মোজাম্মেল হক খান ঢাকা পোস্টকে বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠি শিগগিরিই অফিসিয়াল প্রক্রিয়ায় কমিশন সভায় উপস্থাপিত হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুসারে পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।,


এর আগে গত ৪ জুলাই ইভ্যালির বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকারের চার প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।,


দুদক চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ইভ্যালির বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিয়েছে। ‘

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪ মার্চে ইভ্যালির মোট সম্পদ ৯১ কোটি ৬৯ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৬ টাকা ( চলতি সম্পদ ৬৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৩৬ টাকা) এবং মোট দায় ৪০৭ কোটি ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৪ টাকা। ওই তারিখে গ্রাহকের কাছে ইভ্যালির দায় ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬০ টাকা এবং মার্চেন্টের কাছে দায় ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৪ টাকা। গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম নেওয়া ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬০ টাকা এবং মার্চেন্টদের কাছ থেকে ১৮৯ কোটি ৮৫ লাখ ৯৫ লাখ ৯৫ হাজার ৩৫৪ টাকার মালামাল নেওয়ার পর স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ ১ হাজার ৯১৪ টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ রয়েছে মাত্র ৬৫ কোটি ১৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৩৬ টাকা।,


বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি’বেদনে আরও প্রতীয়’মান হয়, ইভ্যালি তাদের চলতি সম্পদ দিয়ে মাত্র ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ গ্রাহককে পণ্য সর’বরাহ করতে পারবে বা অর্থ ফেরত দিতে পারবে।

বাকি গ্রাহক এবং মার্চেন্টের পাওনা পরিশোধ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে গ্রাহক ও মার্চেন্টের কাছ থেকে গৃহীত ৩৩৮ কোটি ৬২ লাখ ১৮ হাজার ১৭৮ টাকা আত্মসাৎ কিংবা অবৈধ’ভাবে অন্যত্র সরিয়ে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে।-দেশবানী নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *