দেশ বাণী ডেস্ক সারা বাংলা

জলঢাকায় বিয়ের এক মাস যেতে না যেতেই স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্তা

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আব্দুল মালেক, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ “জলঢাকায় বিয়ের এক মাস যেতে না যেতেই স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্তা।”বিয়ের এক মাস যেতে না যেতেই স্ত্রীর পেটে চার মাসের বাচ্চার সন্ধান পেয়েছে এক হতভাগা স্বামী।

স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা দেখে একাধিক ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরিক্ষার পর জানতে পারে নববধূর গর্ভে বাসা বেঁধেছে চার মাসের এক অবৈধ সন্তান। স্ত্রীর পেটে অবৈধ সন্তান, এ কথা জানাজানি হলে লোকলজ্জায় মুখ দেখাতে পারেনা স্বামীসহ পরিবারের লোকজন।

ঘটনাটি ঘটেছে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ছোটপুল এলাকায়। এঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃস্টি হয়েছে।


সোমবার (১২-জুলাই) সরেজমিনে গেলে জানা যায়, গত ১০ জুন বৃহস্পতিবার রাতে ছোটপুল এলাকার দাদন ব্যবসায়ী কাইল্লাসু মামুদের একমাত্র মেয়ে ছদ্দনাম মৌসুমি (১৪) বিয়ে হয় একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড নদীরপাড় এলাকার তমিজউদ্দিনের ছোট ছেলে জাহানুর ইসলামের সাথে। বিয়ের পর বেশ কেটেছিল তাদের দাম্পত্ত জীবন।

এরই মধ্যে স্ত্রীর অস্বাভাবিক আচার-আচরণ এবং শারীরিক অবস্থা দেখে সন্দেহের জাল পাতে স্বামী জাহানুর ইসলামের মনে। পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে একাধিক প্রাইভেট ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে জানতে পারে তার স্ত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বিষয়টি শশুড়বাড়ির লোকজনকে জানালে তারা মিথ্যা বলে ধমক দেয়।
এরপর বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবীরকে অবগত করলে, তিনি সবদিক বিবেচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করেন। এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, গত ৮ই জুলাই রাতে চেয়ারম্যান সাহেব তাঁর নিজ বাড়িতে ডিভোর্স পেপারে উভয় পক্ষের স্বাক্ষর নেন।


ছেলে পক্ষ ন্যায় বিচার পেলেও, মেয়ের বাবা কাইল্লাসু মামুদ ওরফে (সুদারু কাইল্লা) আসল ঘটনা গোঁপন রেখেছে বলে এলাকাবাসির অভিযোগ। এরই সূত্র ধরে একদল প্রতিবেদক চলে যায় কুখ্যাত দাদন ব্যবসায়ী কাইল্লাসু মামুদের বাড়িতে।

জলঢাকায় বিয়ের এক

সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় কাইল্লাসু ও তার পরিবারের লোকজন। মিডিয়াকর্মীদের দেখে এরই মধ্যে চলে আসতে থাকে এলাকার শতশত নর-নারী। গুঞ্জন চলছে অবৈধ সন্তানের পরিচয় নিয়ে। এলাকাবাসির সূত্রে উঠে আসে প্রতিবেশী সনাতন ধর্মের এক ব্যক্তি ও মুসলিম পরিবারের একজনের নাম।


তবে আসল ঘটনা জানা যাবে অন্তঃসত্ত¡া ছদ্দনাম মৌসুমি ও তার পরিবারের কাছে। প্রায় ঘন্টার পর ঘন্টার অপেক্ষা করলেও দেখা মেলেনি তাদের। অবশেষে দেখা মেলে কাইল্লাসুর মা গোলেনুর বেগম ও ছেলে সুমনের। তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে বিষয়টি অস্বীকার করে। এবং ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে বলেন।


ডিভোর্স ও চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অন্তঃসত্ত¡ার সাবেক স্বামী জাহানুর ইসলাম বলেন, আমি একজন ব্যাচেলার ছেলে। বাড়ির বাইরে গেলে মানুষ বলে কেমন ছেলে তুই, এমন বিয়ে করলি। এসব কথা শুনলে আমার খারাপ লাগে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবীর মুঠোফোনে বলেন, ওরা উভয়ের মধ্যে সমঝোতা করে ডিভোর্স করছে তাদের মধ্যে কোন অভিযোগ নাই। অবৈধ সন্তানের বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রকৃত দোষী ব্যক্তিটি কে তা আগে জানতে হবে।-দেশবানী নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *