দেশ বাণী ডেস্ক সারা বাংলা

পলাশ’বাড়ীতে জীবিত ইউপি সদস্যে’র বউ পায় বিধবা ভাতা

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অনলাইন ডেস্ক ।। পলাশ’বাড়ীতে জীবিত ইউপি সদস্যে’র বউ পায় বিধবা ভাতা।। বছরের জন্য নির্বাচিত চেয়ার’ম্যান মেম্বারের দেড় যুগ। অবৈধ’ভাবে পরিচালনা করছেন ইউনিয়ন পরিষদ।’

গাইবান্ধা জেলার পলাশ’বাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়েছে গত ২০০৩ সালে সেই সময়ে নির্বাচিত হন বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যগণ ।

৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হলে নানা মামলা জটি’লতায় আজ এ পর্যন্ত তারা দায়িত্ব পালন করছেন অবৈধ’ভাবে।’

গত ২০০৩ সাল হতে ইউনিয়ন’টির উন্নয়নের নামে ১৩২ টি প্রকল্পের অনিয়ম দূর্নীতি’র বিরুদ্ধে একটি মামলা চল’মান রয়েছে। নির্বাচন স্থগিত সংক্রান্ত মহা’মান্য হাইকোর্টের মামলা ও সীমানা জটিলতা নিরসন হওয়ায় আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে এ ইউনিয়ন’টিতে।’

নির্বাচনী আমেজে শুরু হয়েছে অত্র ইউনিয়নের পাড়া মহল্লায় নির্বাচনী নানা হিসাব নিকাশের সাথে দায়িত্বরত ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের নানা অনিয়ম দূর্নীতি প্রকাশিত হওয়ায় আরো অনেক বিষয় গুলো দিনের পর দিন বেরিয়ে আসছে।,

মাসে ৫ শত টাকা হারে কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের ৮৬৯ জন সুবিধাভোগী নারী বিধবা ও স্বামী নিগৃহিতা ভাতা পায়। স্থানীয়রা জানান প্রায় অর্ধশত নারী বিধবা না হয়েও বিধবা’ভাতা উত্তোলন করছেন।

নানা অনিয়ম করে কোন প্রতিকার বা ব্যবস্থা গ্রহন না হওয়ায় ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মনতাজ আলী তার স্ত্রী সাজেদা বেগম কে বিধবা ভাতা করিয়ে দিয়েছেন।’

সাজেদা বেগম বলেন গত ৬ মাসে আমি ৩ হাজার টাকা পেয়েছি। আমার স্বামীর বাড়ীতে থাকলেও তার সাথে আমার কোন বনি’বনা নাই। ইউপি সদস্য মনতাজ আলী বলেন, আমার স্ত্রীর নামে বিধবা ভাতা হয়েছে বিষয়’টি আমার জানা নেই।’

এদিকে স্বামী থাকার পরেও বিধবা ভাতা পেয়েছেন ৪৭৮ নং কিশোরগাড়ী গ্রামের জাহানারা বেগম,বিধবাভাতা ভোগী ১৩৯ নং মাজেদা বেগম’সহ প্রায় অর্ধ’শতাধিক নারী যাদের কোন প্রকার যাচাই বাছাই ছাড়াই দেওয়া হয়েছে সরকারি এ সুবিধা।,

পলাশবাড়ীতে জীবিত ইউপি

এ বিষয়ে ইউপি সচিব জানান, এসকল নাম অন’লাইনে আবেদন করে সুবিধা’ভোগী হয়েছেন। ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যগণের’সহ উপজেলা পরিষদ ও দলীয় ভাবে প্রেরণ’কৃত তালিকার ব্যক্তি’গণ এ সুবিধা গ্রহন করছেন।’

তবে এদের যাচাই বাছাই করার কোন সুযোগ না থাকায় এমনটি হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিন্টু জানান, ইউপি সদস্যের স্ত্রীর নামে বিধবা ভাতা বা অন্য কোন নারী বিধবা না হয়েও বিধবা ভাতার আওতায় আসার বিষয়টি আমার জানা নেই।,

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজ সেবা অফিসে গিয়ে উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তাকে না পাওয়া গেলে তথ্য প্রদান’কারী কর্মকর্তা ও ফিল্ড সুপারভাইজার এস এম জাকারিয়া জাহিদ বলেন, আমারা ইতিমধ্যে তালিকার মাধ্যমে যাচাই বাছাই করছি ।,

যাচাই বাছাই শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোবাইলে উপজেলা সমাজ’সেবা কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র জানান, এরকম হয়ে থাকলে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।-দেশবানী নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *