দেশ বাণী ডেস্ক

অন্যের জাযগায় লাশ দাফন, থানায় মুচলেকা দিয়ে মুক্তি জসিম ও আবু তাহেরের

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এম মনির চৌধুরী রানা,চট্টগ্রাম।। অন্যের জাযগায় লাশ দাফন, থানায় মুচলেকা দিয়ে মুক্তি জসিম ও আবু তাহেরের।। চট্টগ্রাম বোয়ালখালীতে জোরপূর্বক অন্যের জমিতে দখল করে এক মহিলাকে কবর দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় দুই ব্যক্তি ক্ষমা চেয়ে থানায় মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন। পরে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে সতর্ক করা হয়।

গত রোববার (২৯ আগস্ট) রাতে থানায় তারা এই মুচলেকা দেন বলে নিশ্চিত করেছেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল করিম।,

অভিযুক্তরা হলেন বোয়ালখালী ৯ আমুচিয়া ইউনিয়নের পূর্ব ধোরলা গ্রামের কবির আহমদের ছেলে মো. জসিম ও তার চাচতো ভাই আবু তাহের।’

অন্যের জাযগায় লাশ

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় বাসিন্দা খাদিজা বেগমের মা লাবিয়া খাতুন গত ১০ আগস্ট বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। লাবিয়া খাতুনের পরিবারের বাধা স্বত্ত্বেও জসিম ও তার চাচাতো ভাই আবু তাহের জোরপূর্বক প্রবাসী মুজিবুর রহমানের জমিতে কবর দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন।

তাদের এমন কাজে স্থানীয়রা বাধা দিলেও তারা বাধা অমান্য করে লাবিয়া খাতুনকে ওই জায়গায় কবর দেন। পরে এ ঘটনায় প্রবাসী মুজিবুর রহমানের ছেলে মুস্তাফিজুর রহমান ও তার পরিবার জানতে পেরে অভিযুক্ত জসিম ও আবু তাহেরের কাছে এ বিষয়ে কৈফিয়ত চাইলে তারা মুস্তাফিজ ও তার পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও প্রাণ নাশের হুমকি দেন। পরে এ ঘটনায় প্রতিকার ও নিরাপত্তা চেয়ে বোয়ালখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন মুস্তাফিজুর রহমান।

থানায় অভিযোগে পর বোয়ালখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিজাউল জব্বার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি ঘটনার সত্যতা পেয়ে বিষয়টি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল করিমকে জানান। পরে ওসি দুই পক্ষকে আপোষ মিমাংসার জন্য থানায় ডেকে পাঠান। পরে তারা থানায় গেলে ঘটনার দায়ভার স্বীকার করে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান।

এ বিষয়ে বোয়ালখালী থানার এসআই রিজাউল জব্বার জানান, মুস্তাফিজের অভিযোগ পেয়ে ওসি স্যার আমাকে ঘটনাস্থলে পাঠান। পরে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাই। সেখানে আশেপাশের লোকজন এবং মৃত লাবিয়া খাতুনের মেয়ে খাদিজা বেগমের সাথে কথা বলি। তারা জানিয়েছেন, তাদের আপত্তি থাকা স্বত্ত্বেও জসিম ও আবু তাহের জোরপূর্বক তাদের মায়ের লাশ মুস্তাফিজের বসতভিটার উপর দাফন করে।

তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে থানায় বৈঠক করার জন্য দুই পক্ষকে নোটিশ করা হলে দুই দফা সময় গড়িমসি করে শেষ পর্যন্ত থানায় হাজির হন অভিযুক্ত দুজন। এরপর তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *