দেশ বাণী ডেস্ক সারা বাংলা

পিরোজপুরে মৃত স্বামীর সহায়-সম্পত্তি গ্রাস করার চেষ্টায় প্রতিপক্ষের নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরে মৃত স্বামীর সহায়-সম্পত্তি গ্রাস করার চেষ্টায় প্রতিপক্ষের নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন।।
পিরোজপুর পৌরসভার রাজারহাট এলাকার ব্যবসায়ী মৃত বিপ্লব কুমার সাহা সহায়-সম্পত্তি গ্রাস করার চেষ্টায় প্রতিপক্ষেরমারপিট নির্যাতন থেকে রেহাই পেতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে তার স্ত্রী ইতি সাহা। আজ বুধবার সকালে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলণ অনুষ্ঠিত হয়।’


সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ব্যবসায়ী মৃত বিপ্লব কুমার সাহা’র স্ত্রী ইতি সাহা অভিযোগ করে জানান, পিরোজপুর শহরের বাজার রোডে তার স্বামীর “সোমা প্রসাধনী” নামে একটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান আছে।

ঐ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে রূপালী ব্যাংক লিঃ হুলারহাট শাখা থেকে তাকে গ্রান্টার করে তার স্বামী বিপ্লব কুমার সাহা৬ লক্ষ টাকা লোন নেন। কিন্তু তিনি বিগত ২০২০ইং সালে ১৯ অক্টোবর আকস্মিক মৃতু বরণ করেন।’

এরপর পরস্পর যোগসাযোসে তার ননদপুত্র অনির্বান সাহা ননদের স্বামী অসীম সাহা, ননদ পলাসী সাহা, খালা শাশুড়ি মিতা সাহা এবং তাদের পক্ষের লোকজন তার স্বামীর রেখে যাওয়া সহায়-সম্পত্তি গ্রাস করার চেষ্টায় আমাকে নির্যাতন হয়রানি করে আসছে। তার বিগত ২২ জুলাই দুপুরের দিকে দোকানে বেচাকেন করার সময় পলাসী সাহা, অসীম সাহা, অনির্বান সাহা, মিতা সাহা দোকানে হামলা চালায়।

পিরোজপুরে মৃত স্বামীর

এ সময় তাকে মারপিট নির্যাতন করে দোকানের ক্যাশ হতে ২৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিতে থাকলে হামলাকারীরা ঐ দিন দুপুর দেরটার দিকে রাজারহাটস্থ তার বাসায় তালা ভেঙ্গে ভাংচূর ও লুটপাট করে প্রায় অর্ধলক্ষাধীক টাকার ক্ষতি সাধন করে।’

এ ব্যাপারে তিনি পিরোজপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও অজ্ঞাত কারনে তা নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা না করায় পরে তিনি সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

বর্তমানে তার স্বামীর আন্মীয়-স্বজনেরা তার স্বামীর দোকানে তাকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না এবং তাকে এলাকা ছাড়ার জন্য নানা রকম হুমকি দিচ্ছে।’


সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুর শহরের ব্যবসায়ী সিরাজ শেখ, খাদিজা আক্তার, মুক্তা বেগম সহ স্থানীয়রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *