দেশ বাণী ডেস্ক সারা বাংলা

শার্শার বাগুড়ী বেলতলায় হাত বাড়ালেই মিলছে ভয়ানক মাদক সহযোগিতায় কিশোরগ্যাং

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আঃজলিল,( যশোর)প্রতিবিধিঃ শার্শার বাগুড়ী বেলতলায় হাত বাড়ালেই মিলছে ভয়ানক মাদক সহযোগিতায় কিশোরগ্যাং।যশোরের শার্শা কায়বা ইউনিয়ন সংলগ্ন
বাগুড়ী বেলতলায় হাত বাড়ালেই মিলছে ভয়ানক মাদক যার অন্যাতম নৈপত্যে ভুমিকায় এলাকার উঠতি বয়োসী কিশোরগ্যাং।’

বাগআঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কেন্দ্রো এলাকার দক্ষিণ পাশে পায়ে হেটে গেলে মাত্র ৩০থেকে ৩৫ বা৪০থেকে ৪৫ মিনিটের পথ আর গাড়ির হিসাবে আসলে ১০থেকে,১৫মিনিটের পথ উপজোলার কায়বা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বাগুড়ী বেলতলা বাজার এলাকায় প্রায় ১থেকে দেড় যুগের ও বেশি সময় ধরে মাদক ব্যবসা চলছে কিশোরদের দিয়েই।,

শার্শার বাগুড়ী বেলতলায়

সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত আর সেই রাতের আধারটাকে পিজি করে বাগুড়ী দক্ষিণপাড়া বেলতলা মোড় সংলগ্ন সেই মাদক ব্যাবসায়ীর বাড়ির চারপাশ ঘিরে কয়েকজন কিশোররা চালিয়ে যাচ্ছে রম রমা মাদকের ব্যাবসা।বেশির ভাগই ১৪ থেকে ১৫ বা ১৫থেকে ১৭ বছরের।গাঁজার ছোট পুরিয়া অর্থ্যাৎ১মুড়া ২০টাকা আর প্যাকেট ১০০ টাকা, বড় প্যাকেট ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। তা ছাড়া এখানে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় এক পিচ ইয়াবা বিক্রি হয়।,

সরেজমিন গিয়ে খোজ নিয়ে দেখা গেছে, রাত যত গভীর হয়, এই এলাকায় মাদক ব্যবসা ততই জমজমাট আসরে পরিনত হয়।তবে ক্রেতাদের বেশির ভাগই মটর সাইকেলে কিংবা সাইকেলে বা হেঁটে গাঁজা-ইয়াবা ফেন্সিডিল ইয়াবা, হিরোইন কিনতে আসেন। অনেকে আবার ইঞ্জিন ভ্যানে করে আসেন। যাত্রীবিহীন রিকশা ও ভ্যান মাদক পাচারের অন্যতম বাহন।

কিন্তু পুলিশের গাড়ি এলে ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই সতর্ক হয়ে যায়। বা যার যার মত তারা গা ঢাকা দেয়।গাড়ি দেখলে বিক্রেতারা হাঁকডাক দেন না ক্রেতারাও দ্রত পালিয়ে যায়। তাঁদের ধারণা, গাড়িতে করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালাতে পারে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের সতর্ক করার কাজটি করে থাকে কিশোর দল।

লাভজনক এই ব্যবসায় কিশোররাই প্রধান ‘হাতিয়ারের অন্যাতম টার্গেট। বাগুড়ী প্রাইমারি স্কুল মাঠ পাড়া ভেতরের অবস্থা আরও ভয়াবহ। এই এলাকাটি কিশোররা মাদক খাওয়া ও বিক্রির নিরাপদের অন্যাতম স্থান হিসাবে বেছে নিয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে,বর্তমানে এই এলাকাতে একাধিক মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি জামিনে এসে মাদকের ব্যাবসার সিন্ডিকেট গড়ে তুললেও অজানা কারনে তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করছেনা। তাদের খুটির জোর কোথায় সেটা এখন এলাকার মানুষের মধ্যে ঘুরেফিরে আলোচনায় আসছে।

জানা গেছে, বাগুড়ী বেলতলা বাজার, মুড়ির মিল (আমিরির মোড়) পালপাড়া, বাগুড়ী মাঠ পাড়া, মাঝের পাড়া, বাগুড়ী সীমানা ঘেসা বেত্রাবতী নদীর ঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে মাদক ব্যবসায়িরা। টাকা-পয়সার ভাগ বটোয়ারা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা প্রায়ই ঘটে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বেলতলা বাজারের একজন দোকান ব্যবসায়ী তিনি জানান। আমার ছেলে বয়স ১৫,থেকে১৬,বছর দীর্ঘ ৪ বছর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে।প্রায় মাদকের টাকার জন্য বাড়িতে হট্টগোল ও সংসারের জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। কোন কিছুতেই আমার ছেলেটিকে ভালো করতে পারছি না। তিনি আরো বলেন আজ যদি এলাকায় মাদক বেচাকেনা না হতো তাহলে আমার ছেলেটির এমন পরিনিতি হতো না।

তবে সমাজের বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের মতে মাদক, অপরাধ ও যৌনতা একটি বৃত্তের মধ্যে থাকে।মাদক বহন করতে গিয়ে একজন কিশোর প্রথমে ওই প্যাকেট খোলে। সেখান থেকে সে মাদকাসক্ত হয়। মাদকাসক্ত হলে ওই কিশোরের টাকার প্রয়োজন হয়। তখন ডিলাররা তাকে ২০টি গাজার পুড়িয়া বিক্রি করলে দুটি বিনা মূল্যে দেওয়ার কথা বলে। এভাবে মাদকের সঙ্গে জড়িত কিশোররা ভবিষ্যতে পেশাদার সন্ত্রাসী হওয়ার পথ তৈরি হচ্ছে।

সবশেষে এলাকা বাসী,সুধিজন,সর্ব সাধারণের মতে প্রশাষনের কাছে একটাই অনুরোধ শার্শার বাগুড়ি বেলতলা নামক কিশোর গ্যাংয়ের ভয়ংকর মাদকের আখড়াকে অনতি বিলম্বে যদি ধ্বংস না করা হয় তাহলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে এলাকার শিশু, কিশোর, যুবক, আবাল, বৃদ্ধা বনিতা সবি মাদকের ভয়াল করালগ্রাসে নিমজ্জিত হয়ে যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *