দেশ বাণী ডেস্ক

জলঢাকায় আশ্রয়নের ঘর থেকে বের করায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আব্দুল মালেক, নীলফামারীঃ জলঢাকায় আশ্রয়নের ঘর থেকে বের করায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন।।
নীলফামারী জলঢাকায় আশ্রয়নের ঘর থেকে বের করে দেয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে এক ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী মহিলা।’

রোববার দুপুরে উপজেলার গড় ধর্মপাল আশ্রয়ন কেন্দ্রে এই সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভুগী প্রতিবন্ধী মহিলা চার সন্তানের জননী করিফুল নেছা।,


সংবাদ সম্মেলনে তরিফুল নেছা বলেন, ধর্মপাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান টাকা ছাড়া কোন কাজেই করে না। এনিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করার পরেও কোন প্রতিকার পায়নি বলে জানান ওই মহিলা।’


চার সন্তান ও প্রায় শতবর্ষের বিধবা মাকে নিয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে জীবন-যাপন করছে। স্বামী একরামুল হকও প্রতিবন্ধী, চলতে পারে না।

সাত সদস্যের টানাপোড়া সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। স্বামীর রোজগারে কোনরকম সংসার চললেও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বহন করতে না পারায় শিশু শ্রমিক হিসেবে বিভিন্ন চায়ের দোকানে এবং মানুষের বাড়িতে কাজ করে সংসারের ঘানি টানে সন্তানরা।’

সংবাদ সম্মেলনে করিফুল নেছা বলেন, বিধবা মায়ে বয়স্ক/বিধবা ভাতার কার্ড করার জন্য চেয়ার’ম্যান মেম্বার’দের কাছে ধর্নাধরেও টাকা ছাড়া কাজ হয়নি।

জলঢাকায় আশ্রয়নের ঘর


(আশ্রয়ন) প্রকল্পের বরাদ্দকৃত ১৩নং ঘরটি পূর্ণরায় ফিরত এবং শতবর্ষের মা রুপাজান বেওয়ার জন্য বয়স্ক’ভাতা অথবা বিধবা ভাতার দাবি করিফুল নেছার।’


বিধবা রুপাজান বেওয়ার বয়স্কভাতা কার্ডের বিষয়টি জানেন না ইউপি চেয়ারম্যান জামিনুর রহমান। তবে মুঠোফোনে বলেন, পূর্বে গুচ্ছ গ্রাম ও আশ্রয়ন প্রকল্পের স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনা হয়।’

সালিশ/বিচার করে করিফুল নেছাকে আশ্রয়ন প্রকল্পে থাকতে দেই এবং জহুরুলকে গুচ্ছ গ্রামের ১৩ নং ঘরটি দেওয়া হয়। সে সময় থেকে তারা বসবাস করে আসছে। সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।-দেশবানী নিউজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *