আলোচিত দেশ বাণী ডেস্ক

স্কুল খোলার আগের দিন ধসে পড়ল প্রাথমিকের ছাদ

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

স্কুল খোলার আগের দিন ধসে পড়ল প্রাথমিকের ছাদ।।ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে মডেল সরকারি প্রাধমিক বিদ্যালয়ের নির্মিত ভবনের চিলে’কোঠা ছাদ ধসে পড়েছে।

শুক্রবার রাতে তিনতলা ভবনের চিলে’কোঠার ছাদের একাংশ হেলে পড়ে। শনিবার সকালে ছাদের সম্পূর্ণ অংশটি ভেঙে যায়। পরে ঠিকাদারের লোকজন’দের সকাল থেকেই তড়ি’ঘড়ি করে ধসে পড়া নির্মাণ’সামগ্রী সরাতে দেখা যায়।,

স্কুলের প্রধান শিক্ষক অতিজ কুমার দাসের অভিযোগ, স্কুল ও উপজেলা প্রকৌশলের কাউকে না জানিয়ে ছাদ ঢালাই করা হয়েছে। এ নিয়ে মৌখিক ভাবে উপজেলা প্রকৌশলী’কে অভিযোগও দেয়া হয়। তবে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম।,

খোঁজ নিয়ে জানা যায় শুক্রবার রাতে তিনতলা ভবনের চিলেকোঠার ছাদের একাংশ হেলে পড়ে এবং আজ সকালে ছাদের সম্পূর্ণ অংশটি ভেঙে যায়।’

জানা যায় ২০১৯-২০ অর্থ’বছরে নাসিরনগর উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে নাসিরনগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণের জন্য দরপত্র আহবান করা হয়।

এতে স্কুলটি নির্মাণের ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৭০ লাখ টাকা। জমির-জুলিয়া ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই নির্মাণ’কাজ করছে।,

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিত কুমার দাস অভিযোগ করে বলেন, ঠিকাদার কাজের শুরু থেকেই কাজ নিয়ে তালবাহানা করে আসছিল। কাজের পরিকল্পনা ও নকশা চাইলেও ঠিকাদার দেয়নি। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাউকে না জানিয়ে ছাদ ঢালাই করার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে মৌখিক’ভাবে অভিযোগ দেয়া হয়েছিল।,

বিমল দাস নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা অভি’যোগ করে বলেন, আগামী রোববার স্কুল খুলবে। হঠাৎ করে স্কুলের ছাদ ধসে পড়ার কারণে অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যেতে চাইবে না। তিনি দাবি করেন, ভবনের সম্পূর্ণ কাজ নতুন করে করা হোক।

ঠিকাদার মো. নিক্সন, ইঞ্জিনিয়ার অফিসের কাউকে না জানিয়ে ছাদ ঢালাই করার বিষয়’টি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ইঞ্জিনিয়ার অফিস থেকে ছাদটি ভেঙে নতুন’ভাবে করার জন্য একটি চিঠি দেয়া হয়েছিলো।,

বিদ্যালয় ভবনের নির্মাণ কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা সহকারী উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইসাক মিয়া জানান, আমাদের না জানিয়ে ঠিকাদার ছাদের ঢালাই করে। পরে উপজেলা প্রকৌশলী ঠিকাদার’কে ছাদ ভেঙে নতুন’ভাবে করার নির্দেশ প্রদান করে চিঠি দিয়েছে।

স্কুল খোলার আগের

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ইকবাল মিয়া জেলা শিক্ষা অফিসে মিটিং এ আছেন এবং পরে কথা বলতে চেয়েছেন এই ব্যপারে।

ছাদ ধসে পড়ার বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি নতুন এসেছি। ছাদ ধসের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারবো।

এই ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) হালিমা খাতুন বলেন, আমি ঘটনা’স্থল পরিদর্শন করেছি। ঠিকাদারকে বলা হয়েছে ছাদটি ভেঙে নতুন ভাবে করার।-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *