দেশ বাণী ডেস্ক সারা বাংলা

সেবায় অতিরিক্ত রোগী হাসপাতালে

Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি।। সেবায় অতিরিক্ত রোগী হাসপাতালে।।চিকিৎসা সেবার মানবৃদ্ধির কারনেই জয়পুরহাটের পাঁচবিবির ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা হাসপাতালে আগের চেয়ে রোগীর সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু বহির বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগীর সংখ্যাই বৃদ্ধি পায়নি হাসপাতালের বেডের চেয়ে দ্বিগুন রোগী ভর্তি আছে।

হাসপাতালের বেডের চেয়ে দ্বিগুন রোগীকে বারান্দা ও মেঝেতে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দেন কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোলায়মান হোসেন মেহেদীর যোগদানের কল্যানে।-‘

উপজেলার ভালুকগাড়ী এলাকার তারেকুল ইসলামের স্ত্রী শাপলা বেগম বলেন, বিরামপুর বাবার বাড়ি থেকে মটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার সময় সড়ক দূর্ঘটনায় আমার পা ভেঁঙ্গে যায়। ঔষধ-পত্র, ক্লিনিক ভাড়া ও ডাক্তারের ভিজিট মিলে আমার প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ হয় বিরামপুরে একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে।

ভ্যানে করে ক্লিনিকে ড্্েরসিং করতে যাওয়ার সময় মেহেদী ডাক্তার গাড়ী থামিয়ে বলে আপনার পায়ে কি হয়েছে। সবকিছু বলার পর তিনি মহীপুর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। আগে ক্লিনিকে ড্্েরসিং ঔষধ ও যাতয়াত করতে প্রতিদিন ২/৩ হাজার টাকা খরচ হত ডাক্তারের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর আর টাকা খরচ লাগে না। সীমান্ত এলাকা চেচঁড়া গ্রাম থেকে মৃত ইব্্রাহীমের ছেলে বৃদ্ধ মজিরুল ইসলাম (৭৫) এ্যাজমা রোগে আক্্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে বেড না পেয়ে ফ্লোরেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ রোগে ভুগছি অনেক ডাক্তার কবিরাজ দেখিয়েছি রোগ ভালো হয় না। হাসপাতালের বড় ডাক্তারের চিকিৎসায় আগের চেয়ে আমার এ্যাজমায় কষ্ট অনেক কমেছে। খামারপাড়া গ্রামের রেজুয়ানের ছেলে মনিরুল ইসলামও (২৫) সড়ক দূর্ঘটনায় ভর্তি হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা কেমন জানতে চাইলে মনিরুল বলেন, এখানকার সব ডাক্তার নার্স আমার মত সব রোগীকে নিয়মিত ঔষধ ৩ বেলা খাবার ও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।,

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোলায়মান হোসেন মেহেদী বলেন, আমাদের পেশার নামই হলো রোগীর সেবা দেওয়া। আমরা সবাই মিলে সেটাই দেওয়ার চেষ্টা করছি বলেন, তিনি আরো জানান রোগীর চেয়ে এ হাসপাতালে বেডের সংখ্যা কম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *